আসছে পহেলা ফাল্গুন, ভালোবাসা দিবস ও একুশে ফেব্রুয়ারির বাজার ধরতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ঝিনাইদহের ফুলচাষিরা। জমিতে সেচ, সার প্রয়োগ ও পরিচর্যায় দিন কাটছে তাদের। এ তিনটি দিবসে ফুল বিক্রি করেই মূলত বছরের লাভ-লোকসানের হিসাব মেলান তারা।
জেলা কৃষি কার্যালয়ের দেওয়া তথ্য মতে, ৩৮৫ হেক্টর জমিতে এ বছর ফুল চাষ হয়েছে। যার মধ্যে গোলাপ ৯, গাঁদা ৩৩০, রজনীগন্ধা ৩৩, গ্লাডিওলাস ১১, জারবেরা ১ দশমিক ৫ ও লিলিয়াম ১ হেক্টরে।
কোটচাঁদপুর উপজেলার ইকড়া গ্রামের ফুলচাষি আদম আলী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমি এক বিঘা জমিতে গোলাপের চাষ করেছি। এখন জমিতে সেচ ও সার দিচ্ছি। বর্তমানে দুই থেকে তিন টাকাদরে গোলাপ বিক্রি করলেও ভালোবাসা দিবসে এর দাম ৮ থেকে ১০ টাকা হবে।’
আদম আলীর মতো অসংখ্য ফুলচাষি দিন-রাত পরিশ্রম করছেন উৎপাদন ভালো ও দামের আশায়। ঝিনাইদহের ফুলের গুণগত মান ভালো থাকায় ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে বলে জানান তরিকুল ইসলাম নামে আরেক ফুলচাষি।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জি এম আবদুর রউফ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ফলন ভালো পেতে ফুলচাষিদের উৎপাদন ব্যবস্থাপনা, পরিমিত সারের ব্যবহার, সময়মতো সেচ দেওয়ার পরামর্শসহ সব ধরনের প্রযুক্তিগত সহযোগিতা করা হচ্ছে। দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরা দিন দিন ফুল চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।
