ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জাল দলিল করায় একজনের যাবজ্জীবন ও সাতজনের ১০ বছর কারাদণ্ডসহ অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত।
ফরিদপুরের স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. মতিয়ার রহমান মঙ্গলবার দুপুরে এই রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের ২ মার্চ শেখ আব্দুল মোতালেব বাদী হয়ে নগরকান্দা থানায় জাল দলিলের অভিযোগ তুলে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ৯জন আসামিকে মামলা করেন। মামলাটি পরবর্তীতে দুদক ফরিদপুর অফিস তদন্ত করে আদালতে রিপোর্ট প্রদান করেন।
ফরিদপুরে জজ কোটের দুদকের পিপি মজিবুর রহমান জানান, ফরিদপুরের নগরকান্দার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জাল দলিল করায় আদালত প্যানাল কোড ১৮৬০ এর ৪৬৭ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে একজনের যাবজ্জীবন ও সাতজনের ১০ বছর কারাদণ্ডসহ অর্থদণ্ড প্রদানের আদেশ দিয়েছেন।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, শ্রীরামদিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন মোল্লাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন।
এ ছাড়াও প্যানাল কোড ১৮৬০ এর ৪৬৭/১০৯ ধারার মামলার অপর আসামি মো. আবু বক্কার, পিয়ন সাব রেজিস্ট্রি অফিস নগরকান্দা, এসমোতারা বেগম, নকলনবিশ, সাব-রেজিস্ট্রার অফিস, সুজিত কুমার বিশ্বাস, নকলনবিশ, সাব-রেজিস্ট্রার অফিস, দেলোয়ার হোসেন, নকলনবিশ, সাব-রেজিস্ট্রার অফিস, উষা বিশ্বাস, নকলনবিশ, সাব-রেজিস্ট্রার অফিস, আনজু আক্তার, নকলনবিশ, সাব-রেজিস্ট্রার অফিস, মোহাম্মদ আলীকে নকলনবিশ, সাব-রেজিস্ট্রার অফিস প্রত্যেককে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
আদালতে রায় ঘোষণার সময় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত গিয়াস উদ্দিন মোল্লা ও ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত এসমোতারা বেগম পলাতক ছিলেন। অন্য আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
