অস্ত্রের মুখে গণধর্ষণ, আদালতে দ্বারস্থ অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী

আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০২:৩২ পিএম

যশোরে ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় দুইজনের বিরুদ্ধে আদালতে নালিশি অভিযোগ করেছে এক কিশোরী। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক অভিযোগটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার অভিযুক্তরা হলেন- মণিরামপুর উপজেলার কুচলিয়া গ্রামের গৌতম মল্লিকের ছেলে পিয়াস মল্লিক ও লেবুগাতি গ্রামের নিরঞ্জন বিশ্বাসের ছেলে বাঁধন বিশ্বাস।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ওই কিশোরী স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। স্কুলে যাওয়া-আসার পথে আসামিরা তাকে উত্ত্যক্ত করত। বিষটি কিশোরী তার পরিবারের সদস্যদের জানায়। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্ত দুইজনের বাড়িতে জানালে তারা ক্ষিপ্ত হয়। অপহরণ ও ধর্ষণের হুমকি দেয়।

২০১৮ সালের ২৫ মে রাতে ওই কিশোরী প্রকৃতির ডাকে ঘর থেকে বের হয়। এ সময় আসামিরা তার গলায় ছুরি ধরে পুকুর পাড়ের নিয়ে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেন। ঘটনা কাউকে জানালে খুন করবে বলে হুমকি দিয়ে চলে যায়।

ভয়ে কিশোরী বিষয়টি কাউকে কিছু জানায়নি। কয়েক মাস পর বাড়ির সকলে বুঝতে পারে সে অন্তঃসত্ত্বা। তখন মেয়েটি বিষয়টি তার পরিবারের সদস্যদের জানায়।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত দুইজনের বাড়ির লোকদের জানালে তারা কিশোরীর পরিবারের সকলকে দেশ ছাড়ার হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেয়। বর্তমানে ওই কিশোরী আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

অন্য কোনো উপায় না পেয়ে কিশোরী আদালতে মামলা করেছেন বলে জানান তারা বাবা। আদালত অভিযোগটি গ্রহণ করে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়ে মেডিকেল রিপোর্টসহ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত