জামালপুরে কয়েকটি উপজেলার তিনটি কেন্দ্রে শনিবার অনুষ্ঠিত এসএসসির নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ২০১৯ সালের প্রশ্নের পরিবর্তে ২০১৮ সালের সিলেবাসের প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বিক্ষোভ করেছে পরীক্ষার্থীরা। এই পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেয়ার দাবি জানায় তারা।
তবে জেলা প্রশাসক বলেছেন, দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ভুক্তভোগীরা জানান, জামালপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়ায় বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রসহ মোট তিন কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের প্রথমে নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ২০১৮ সালের অনিয়মিত প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়। ২০ মিনিট পর তা পাল্টে ২০১৯ সালের নিয়মিত প্রশ্ন দেওয়া হয়। এতে বিপাকে পড়ে ২১৩ পরীক্ষার্থী।
এরপর পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করে।
একই ঘটনা ঘটে জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার উলফাতুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রের ২৯৫ পরীক্ষার্থীকে ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা দেয়। পরীক্ষা শেষে এখানেও পরীক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করে। তারা পুনরায় পরীক্ষা নেয়ার দাবি জানান।
এই উপজেলায় অনিয়মিত প্রশ্নে পরীক্ষা দেওয়ার পরীক্ষার্থীরা সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানালেন বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার দেওয়ান মো. তাজুল ইসলাম।
এ ছাড়া ইসলামপুর উপজেলার সরকারি নেকজাহান পাইলট মডেল হাই স্কুল কেন্দ্রে ২০০ শিক্ষার্থীকে ২০১৮ সালের প্রশ্ন দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইসলামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিজানুর রহমান।
অনিয়মিত প্রশ্নে পরীক্ষার নেয়ার বিষয়ে জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবির বলেন, বিষয়টি বোর্ড কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। যে প্রশ্নে পরীক্ষা নেয়া হয়েছে। সেভাবেই পরীক্ষার মূল্যায়ন করা হবে এবং এর জন্য যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এবার জামালপুরে এসএসসি, ভকেশনাল ও দাখিল পরীক্ষায় ৩৯ হাজার ৯শ’ ২৭ জন নিয়মিত ও অনিয়মিত পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছে।
