ভারতের সঙ্গে সীমান্তে হঠাৎ হত্যাকাণ্ড বেড়ে যাওয়ার কারণ অনুসন্ধানে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ে শিগগিরই বৈঠক হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিকমাতৃভাষা দিবস উদযাপন এবং সেদিনের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে আয়োজিত বৈঠক শেষে এ কথা জানান তিনি।
সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন, অনেক দিন ধরে সীমান্তে খুব ভালো পরিবেশ বজায় ছিল। হঠাৎ সীমান্তে কেন হত্যাকাণ্ড বেড়েছে, তা নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে অনুসন্ধান করা হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ-ভারত উচ্চ পর্যায়ে শিগগিরই বৈঠকও আহ্বান করা হবে। সীমান্তে যাতে আর কোনো হত্যাকাণ্ড সংঘটিত না হয়, সে বিষয়টিতে জোর দেওয়া হবে।’
বক্তব্যে দীর্ঘদিন সাজা ভোগ করা বন্দিদের বিষয়ে কামাল বলেন, ‘সমস্ত কারাগারের ভেতরে দীর্ঘদিন জেল খাটা কোনো কয়েদি অচল বা অক্ষম হয়ে গেলে তাদের চিহ্নিত করে মুক্তি দেওয়ার কথা ভাবছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ কারাগারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে এই কাজটি করা হবে।’সীমান্ত দিয়ে রোহিঙ্গা প্রবেশের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা প্রবেশের স্থানগুলো চিহ্নিত করে সীমান্তে আরও বিজিবি বাড়ানোর চিন্তা করছি। আশা করি শিগগিরই রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বন্ধ করা সম্ভব হবে।’জাহালমের বিনা দোষে তিন বছর হাজতবাসের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এর সঙ্গে যারা যুক্ত, যারা ষড়যন্ত্র করে এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তারা কেউই ছাড় পাবেন না। সুষ্ঠু তদন্তের মধ্য দিয়ে তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।’
রাজধানীতে সাবেক এক সেনা কর্মকর্তার নিজ শিশুকন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমি বলতেও লজ্জা পাচ্ছি। অভিযুক্ত কী করেছে, তা আর বলতে চাই না। শুধু এটুকু বলব, তার অপরাধের বিচার হবে।’
