বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

সাদুল্লাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

১৬ বছরেও চালু হয়নি এক্সরে মেশিনটি

আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১১:০৬ পিএম

৫০ শয্যাবিশিষ্ট গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৬ বছর আগে একটি এক্সরে মেশিন দেওয়া হলেও সেটি চালু করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। ফলে এক্সরে মেশিনটি একটি কক্ষে পড়ে রয়েছে। এ অবস্থায় আরেকটি এক্সরে মেশিন দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে হাসপাতালটিতে। 

সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, ২০০২ সালের আগস্ট মাসে একটি এনালগ এক্সরে মেশিন দেওয়া হয় এই হাসপাতালে। কয়েকবার এটি চালু করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হতে হয়েছে। এই হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা থেকে এখন পর্যন্ত সরকারি এক্সরে মেশিনের সুবিধা পাননি রোগীরা।

উপজেলার দশলিয়া গ্রামের সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘হাসপাতালে ছেলের হাতের এক্সরে করাতে গিয়েছিলাম । কিন্তু এক্সরে মেশিন চালু না থাকায় ১৩০ টাকার এক্সরে বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ২৭০ টাকা দিয়ে করতে বাধ্য হয়েছি।’মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং) এ বি এম হাসান সরকার বলেন, এক্সরে মেশিনটি এনে শুধু রাখা হয়েছে হাসপাতালে। ফেরত যাচ্ছে না, সচল করাও যাচ্ছে না। এ নিয়ে আমরা পড়েছি বিপাকে। সেবা নিতে আসা মানুষ কথা শুনিয়ে যায়, কেউ খারাপ ব্যবহারও করে।উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু আহাম্মদ আল মামুন দেশ রূপান্তরকে জানান, ১৬ বছর আগে আনা এনালগ এক্সরে মেশিনটি চালুই করা যায়নি। আবারও এই হাসপাতালে একটি এনালগ মেশিন দেওয়া হচ্ছে। সেটি এলে মানুষ তেমন উপকার পাবে বলে মনে হয় না। কেননা এরইমধ্যে ডিজিটাল এক্সরে মেশিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এজন্য আমাদের নতুন একটি ডিজিটাল এক্সরে মেশিন দরকার।

এ বিষয়ে গাইবান্ধার সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুস শাকুর বলেন, সাদুল্লাপুরের এক্সরে মেশিনটির বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত