সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

বুড়িগঙ্গার তীরে অভিযান

কাজলের শ্বশুরবাড়িসহ ১২৪ স্থাপনা উচ্ছেদ

আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৩:৪১ এএম

বুড়িগঙ্গা নদীর দুই তীর অবৈধ দখলমুক্ত করতে তৃতীয় দফায় দ্বিতীয় দিনের (অষ্টম দিনের) উচ্ছেদ অভিযানে দুদক আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজলের শ্বশুরবাড়িসহ ১২৪টি স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে বিআইডব্লিউটিএ। গতকাল বুধবার সকালে সংস্থার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে কামরাঙ্গীরচরের খোলামোরা ঘাট থেকে ঝাউচর পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়। বিআইডব্লিউটিএ সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, গতকাল ১৭টি পাকা ভবন, ৩০টি আধাপাকা ঘর, ২২টি টিনের ঘর, ৫৫টি টংঘর উচ্ছেদ করা হয়েছে।এর আগে গত সাত দিনে সাড়ে ১২শ’ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। আজ সকাল ৯টায় ঝাউচর থেকে বসিলা অভিমুখে ফের অভিযান শুরু হবে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকাল সাড়ে ১০টায় শুরুর পর থেকে অভিযানে বেশ গতি থাকলেও দুপুরে দুদক আইনজীবী কাজলের শ্বশুরের দোতলা সাদা রঙের একটি ভবনের কাছে এসে হঠাৎ তা থেমে যায়। বিআইডব্লিউটিএ’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভবনটি ভাঙা স্থগিত করেন। একপর্যায়ে বাড়ির বাইরে এসে কাজল সাংবাদিকদের জানান, তার শ্বশুর তিনটি রেকর্ডীয় সূত্রে এই বাড়িটির মালিক। নদী উদ্ধার কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, যদি সরকারের প্রয়োজন হয় তবে নিজ উদ্যোগে তারা বাড়িটি ভেঙে দেবেন। এর কিছুক্ষণ পর আবারও উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হলে প্রথমেই ওই ভবনটি ভেঙে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ’র যুগ্ম পরিচালক (ঢাকা বন্দর) এ কে এম আরিফ উদ্দিন বলেন, ‘নদীর পারে বাড়ি নির্মাণে বিআইডব্লিউটএ’র অনাপত্তিপত্র প্রয়োজন হয়, যা তারা দেখাতে পারেননি। পাশাপাশি বহুতল ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে রাজউকেরও অনুমতি লাগে; সেই অনুমোদনও নেওয়া হয়নি।’

এর আগে সকালে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে নৌপরিবহন সচিব মো. আব্দুস সামাদ বলেন, ‘অভিযানে কোনো সমন্বয়হীনতা নেই। তবে ব্যস্ততার কারণে হয়তো সব অংশীজনরা একসঙ্গে কাজ করতে পারছেন না।’

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত