রাজধানীতে পৃথক স্থানে রেলে কাটা পড়ে ও সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ জন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার তাদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
রেলওয়ে ও থানা-পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে রাজধানীর শেওড়া এলাকায় রেলের ধাক্কায় ৭০-৭৫ বছর বয়সী অজ্ঞাত বৃদ্ধ ও সকাল ১০ টার দিকে ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় রেলে কাটাপড়ে অজ্ঞাত যুবকের মৃত্যু হয়।
রেলওয়ে থানার ওসি ইয়াসিন ফারুক মজুমদার দেশ রূপান্তরকে বলেন, রেল লাইন থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। একজনের বয়স ৭০-৭৫ ও অন্যজনের বয়স ৩০-৩২ হতে পারে। তিনি বলেন, ‘সকাল ৮টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া একটি ট্রেনের ধাক্কায় বয়স্ক একজন ব্যক্তি গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। অন্য যুবক সকাল ১০টার দিকে ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় কমলাপুর থেকে ছেড়ে যাওয়া মহুয়া রেলে কাটা পড়ে মারা যান।
হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার ভোর ৫ টার দিকে রাজধানীর মালিবাগে আবুল হোটেলের সামনে ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে অজ্ঞাত এক পথচারী নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। হতাহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মিজানুর রহমান বলেন, মাছ বহনকারী ট্রাক ও মুরগি বহনকারী পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষের ঘটনায় অজ্ঞাতনামা এক পথচারী(১৯) ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এতে পিকআপ চালক কাজল (৪৫) ও তার সহযোগী বিল্লাল (৪০) সহ ৩ জন আহত হন।
এদিকে একইদিন সকাল ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কালু মিয়া(৪৫) নামে একজন দিনমজুর মারা যান। বুধবার রাত ১০ টার দিকে মিরপুর ১ নম্বরে যাত্রাবাহী বাসের ধাক্কায় তিনি আহত হয়েছিলেন।
নিহত কালুর প্রতিবেশী কামাল হোসেন জানান, মিরপুর ১ নম্বর সেকশনে তানিন ভবনের সামনে বিহঙ্গ পরিবহনের একটি বাস একটি রিকশাকে ধাক্কা দেয়। এতে রিকশা আরোহী কালু মিয়া গুরুতর হন। পরে রাত ১ টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়। এ ঘটনায় রিকশাচালকসহ আরও দুজন আহত হন। নিহত কালু মিয়ার বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার নান্দাইল উপজেলায়।
