কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মা পপি আকতারকে সংকটাপন্ন অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই প্রসূতি পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের বারাইয়াকাটা গ্রামের মো. রহিমের স্ত্রী। গত বুধবার বিকেলে পেকুয়া বাজারে অবস্থিত প্যান ইসলামিক হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটে। ভুক্তভোগীর পরিবার ক্ষিপ্ত হয়ে হাসপাতালে ঘেরাওয়ের চেষ্টা করে।
প্রসূতি পপি আকতারের স্বামী মো. রহিম বলেন, ‘স্ত্রীকে গত বুধবার সকালে পেকুয়া বাজারস্থ প্যান ইসলামিক হাসপাতালে ভর্তি করি। ডাক্তার না পেয়ে স্ত্রীকে অন্যত্র নিয়ে যেতে চাইলে নার্স সামারু বেগম অভয় দিয়ে বলেন, তিনি ডেলিভারি করাতে পারবেন। তিনি সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সন্তান জন্মদানের জন্য জোরপূর্বক চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে সন্তান বের করার সময় মাথা থেঁতলে দেন। পরে মৃত বাচ্চা এবং স্ত্রীকে আটকে রেখে তিন হাজার টাকাও আদায় করেন। বিয়ের পাঁচ বছর পর আমার স্ত্রী সন্তান ধারণ করেছেন। ওই সন্তানকে হত্যা করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।’ চমেক হাসপাতাল থেকে মুঠোফোনে পপি আকতারের দেবর মো. আজিজ বলেন, ‘ভাবির অবস্থা খুব খারাপ।’ জানতে চাইলে নার্স সামারু বেগম বলেন, ‘বাচ্চাটির নরমাল ডেলিভারি হয়। পানি শূন্যতার কারণে নবজাতক মারা গেছে।’ প্যান ইসলামিক হাসপাতালের পরিচালক বেলাল উদ্দিন বলেন, ‘বাচ্চা ডেলিভারি করার নিয়ম আমাদের হাসপাতালে নাই। তার পরও নার্স সামারু অন্যায়ভাবে ডেলিভারি করেছেন। এ ঘটনায় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
