‘কবিরা আজ যা ভাবেন, রাজনীতিবিদ-বিজ্ঞানীরা পরে তা আবিষ্কার করেন’

আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৭:৩৮ পিএম

সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও কবি সাহিত্যিকদের সংগঠন গাঙচিলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. রইচ উদ্দীন বলেছেন, ‘কবি হলো অমৃতস্যপুত্র, আজকে কবিরা যা ভাবেন, যা কল্পনা করে রাজনীতিবিদ-বিজ্ঞানীরা পরে তা আবিষ্কার ও বাস্তবায়ন করেন’।

কবি কাজী নজরুল ইসলামের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘আপন হাতের মুঠোয় পুরে, দেখব আমি জগৎটারে। আপন হাতের মুঠোয় জগৎটাকে দেখা যায়। তখন তাকে অনেকে পাগল বলে আখ্যায়িত করেছিলেন। মানুষ চাঁদে যাবে কবিরাই কল্পনা করেছিলেন। বৈজ্ঞানিক, ইঞ্জিনিয়ার আবিষ্কারক কারা তা কবিরা প্রমাণ করে দিয়েছেন। এ দেশ স্বাধীন হবে, সেই স্বাধীনতার বীজমন্ত্র কে বপন করেছেন, করেছেন কবিরা’। 

শনিবার সকালে বাগেরহাট শহরের সাংস্কৃতিক ফাউন্ডেশনের এসি লাহা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত গাঙচিলের ১০১তম আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।

‘শুদ্ধ সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চা হোক বিশ্ব বন্ধুত্বের মূলমন্ত্র’ এই আহ্বানে বাগেরহাটে দিনব্যাপী সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও সুইডেনের অন্তত ৩০ জন কবি ও সাহিত্যিক এই সম্মেলনে যোগ দেন।

কবি সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিকদের মধ্যে ছিলেন ভারতের সুকেশ কুমার মন্ডল, সুব্রত কুমার বড়াই, চন্দনা ঘাঁটি, পুষ্পরাণী সাঁতরা, কৃষ্ণেন্দু হাইত, ড. কল্যাণ রায় ও ড. সুজাতা রায়, সুইডেনের লুৎফর রহমান সৈয়দ, আমেরিকার চিন্ময় রায় চৌধুরী, ঢাকার সীমা ইসলাম, কবি মাতবর রফিক, মুক্তিযোদ্ধা কবি আবু সুফিয়ান খান ও কবি শাহী সবুর প্রমুখ।

সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহাদাৎ হোসেন, গাঙচিল সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা খান আকতার হোসেন, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আহাদ উদ্দীন হায়দার, সংগঠনের বাগেরহাট জেলা শাখার সভাপতি এ্যাডভোকেট. বিজন বিশ্বাস।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সৈয়দ শওকত হোসেন, পারভীন আহমেদ এবং রিজিয়া পারভীন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত