বাংলা খাবারের জন্য কয়েক যুগ ধরে প্রসিদ্ধ রেস্তোরাঁ নিরব। আহামরি আড়ম্বর না থাকলেও ছিমছাম এই রেস্তোরাঁ নজর কাড়বে সবার। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এবং সেই সঙ্গে রয়েছে বসার পর্যাপ্ত সুব্যবস্থা। এখানে ২০০ লোক একসঙ্গে খাবার খেতে পারবেন।
খাবারের মান নিয়ে প্রশ্নের অবকাশ নেই। প্রতিটি খাবারে রয়েছে ঘরোয়া ছোঁয়া। প্রবেশের পরই সুস্বাদু খাবারের লোভনীয় ঘ্রাণ এসে যেন খিদে আরও বাড়িয়ে দেয়। সামান্য ভর্তা-ভাজি দিয়ে যে পেট পুরে খাওয়া যায়, তা এখানে না এলে বোঝা যাবে না। এই রেস্তোরাঁর অন্যতম আকর্ষণ ভর্তা-ভাজি। এখানে দুপুরে মেলে আলুভর্তা, ডালভর্তা, কচুভর্তা, বেগুনভর্তা, শুঁটকি মাছের ভর্তা, চিংড়িভর্তা, কলাভর্তাসহ প্রায় ২০ রকমের ভর্তা-ভাজি।
এ ছাড়া আছে বিরিয়ানি, ভুনা খিচুড়ি, মাংসের ভুনা, কলিজা ভুনা, বোরহানি ইত্যাদি।
গরুর মাংসের কালাভুনা ও মগজ ভুনার রয়েছে সুখ্যাতি। সব খাবারের দামই সাধ্যের মধ্যে। কাঁচকি ও চাপা শুঁটকির প্রতি পদ ২০ টাকা। চিংড়ি ও লইট্যাভর্তা ৪০ টাকা। এ ছাড়া প্রতিটি আইটেমের দাম সর্বনিম্ন ১৫ থেকে সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা পর্যন্ত।
খাবার পরিবেশনকারী মো. আবদুল মিন্টু বলেন, সপ্তাহের প্রায় প্রতিটি দিনই এখানে রয়েছে মানুষের ঢল। ছুটির দিনগুলোতে তুলনামূলক ভিড় বেশি থাকে। প্রতিদিনকার মেন্যুর পাশাপাশি বিশেষ দিনগুলোতে বিশেষ খাবারের আয়োজন রয়েছে।
যেমন : পহেলা বৈশাখে অনেকেই এখানকার পান্তাভাত ইলিশ খেতে আসেন। নিরব রেস্তোরাঁ প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
সকালের নাশতা থেকে রাতের খাবার সবই আছে। সাশ্রয়ী দামের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছেও জনপ্রিয় ।
ঠিকানা : ১১৪ নাজিমউদ্দিন রোড, পুরাতন কেন্দ্রীয় জেলগেটের কাছে। ঢাকা-১২১১। ফোন : ০১৮৬৭-৮৬০০০২। এ ছাড়া গুগল ম্যাপে সার্চ দিয়ে এর দূরত্ব জেনে নিতে পারেন।
