মাছ ধরে নিয়ে গেল চেয়ারম্যানের ছেলে

আপডেট : ০৫ মার্চ ২০১৯, ০৫:৪২ পিএম

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার স‌খিপুর থানার ডিএমখা‌লি ইউনিয়নে  লিজ নেওয়া পুকুরের মাছ জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় চেয়ারম্যানের ছেলের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় স‌খিপুর থানা ও ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী দুলাল ব্যাপারী।

জানা যায়, ডিএমখা‌লির বাসিন্দা দুলাল ব্যাপারীর লিজ নেওয়া পুকুরের মাছ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাস্টার জ‌সিম মাতবরের ছেলে না‌সিম মাতবর তার লোকজন নিয়ে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে গেছে।

ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী জানায়, ইউনিয়নের মাদবরকা‌ন্দি গ্রামের দুলাল ব্যাপারী মাছ চাষ করার জন্য ইউনিয়নের মা‌ঝিকা‌ন্দি গ্রামের ফারুক মাতবরের পুকুর লিজ নেন। সাত মাস যাবৎ ‌সেই পুকুরে গলদা চিংড়ি, রুই, কাতল ও মৃগেল চাষ করছেন দুলাল। গত শক্রবার ও শনিবার ডিএমখা‌লি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাস্টার জ‌সিম মাতবরের ছেলে না‌সিম মাতবর তার লোকজন নিয়ে জোরপূর্বক সেই মাছগুলো ধরে নিয়ে যায়। মাছের আনুমানিক মূল্য প্রায় এক লাখ টাকা। এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুলাল ব্যাপারী স‌খিপুর থানা ও ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন ।

দুলাল ব্যাপারী ব‌লেন, ফারুক মাতবরের পুকুর লিজ নিয়ে সাত মাস যাবৎ মাছ চাষ করছি। কিন্তু চেয়ারম্যানের ছে‌লে না‌সিম মাতবর জোর করে আমার চাষের প্রায় এক লাখ টাকার মাছ ধরে নি‌য়ে গে‌ছে। চেয়ারম্যানের কাছে ব‌লে এর কোন বিচার পাইনি। তাই থানায় ও ইউএনও'র কা‌ছে অভিযোগ করেছি।

না‌সিম মাতবরের বাবা ও ডিএমখা‌লি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাস্টার জ‌সিম মাতবর বিষয়টি স্বীকার ক‌রে ব‌লেন, ফারুক মাতবর আমার ছোট ভাই। ফারুকসহ সাতজনে মি‌লে ডিএমখা‌লির কা‌শিমপুর এক‌টি পেট্রল পাম্প করছিলাম। সেই পেট্রল পাম্প নি‌য়ে ফারু‌কের সা‌থে আমার দ্বন্দ্ব চলছে। পাম্প নি‌য়ে অনেক সালিসও বসেছে।

‌তি‌নি ব‌লেন, ‌ছোট ভাই ফারুক মাতবর যে পুকুর‌টি দুলাল ব্যাপারীকে লিজ দি‌য়েছে, সেই পুকুর‌টি আমার। তাই আমার ছে‌লে অল্প ‌কিছু মাছ ধরে‌ছে।

স‌খিপুর থানা পু‌লি‌শের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক এনাম ব‌লেন, মাছ ধরার ব্যাপারে থানায় এক‌টি অভি‌যোগ পে‌য়ে‌ছি। তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হ‌বে।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত