খালেদা জিয়ার চিকিৎসা

সর্বোচ্চ ব্যবস্থার আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

আপডেট : ০৬ মার্চ ২০১৯, ০৩:১৫ এএম

কারাবন্দি খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন ‘সর্বোচ্চ ব্যবস্থা’ গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন তিনি। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার অসুস্থতার বিষয়ে এবং তার সুচিকিৎসার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে এসেছিলাম। তিনি আমাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং বলেছেন যে, তার (খালেদা জিয়া) সুচিকিৎসার জন্য যা করার আছে তিনি তা করবেন। আমরা মনে করি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার কথা রাখবেন এবং কারাবন্দি খালেদা জিয়ার সর্বোচ্চ চিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।’

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ইতিপূর্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) গঠিত মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী কারাবন্দি খালেদা জিয়ার চিকিৎসার ব্যবস্থা করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এরমধ্যে তার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের প্রধান ও বিএসএমএমইউর অধ্যাপক ডা. আবদুল জলিল চৌধুরীর নেতৃত্বে চিকিৎসকদের একটি প্রতিনিধি দল কারাগারে গিয়ে খালেদা জিয়াকে দেখে এসেছেন। তাকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার জন্য বলেছেন তারা। খালেদা জিয়া রাজি হলে জেল কর্র্তৃপক্ষ তাকে বিএসএমএমইউতে ভর্তি করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দলীয় নেতা ও স্বজনদের সাক্ষাতে জেল কর্র্তৃপক্ষ যে সমস্যার সৃষ্টি করছে তাও দেখবেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।’

গতকাল বেলা আড়াইটায় মির্জা ফখরুলের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলের ছয় সদস্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চতুর্থতলায় মন্ত্রীর কক্ষে প্রবেশ করেন। প্রায় ৩৫ মিনিট পর মন্ত্রীর কক্ষ থেকে বেরিয়ে আসেন তারা। 

প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেনÑবিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান এবং আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল। এর আগে একই বছরের ২৭ মার্চ ও ২৩ এপ্রিল দু’দফায় মন্ত্রীর সঙ্গে দলটির নেতাদের সাক্ষাৎ হয়। কারাগারে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে গত বছরের ৬ অক্টোবর খালেদা জিয়াকে মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী বিএসএমএমইউ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রায় এক মাস চিকিৎসা শেষে আবার তাকে কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত