বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

আইএস বধূ শামীমার তৃতীয় সন্তানও ‘মারা গেছে’

আপডেট : ০৮ মার্চ ২০১৯, ০৯:১০ পিএম

যুক্তরাজ্য থেকে পালিয়ে সিরিয়ায় আইএসের সঙ্গে যোগ দেওয়া শামীমা বেগমের তৃতীয় সন্তানও ‘মারা গেছে’ বলে ধারণা করছেন তার পারিবারিক আইনজীবী। শুক্রবার টুইটে তিনি এমন খবর দেন।

শামীমার বাবা তাকে ব্রিটেনে ফেরাতে না চাইলেও তার পরিবারের অন্য সদস্যরা ফেরানোর চেষ্টা করছেন। কিন্তু সরকারের চাপের কারণে সেটি হচ্ছে না। পরিবার থেকে ইতিমধ্যে তাসনিম আকুনজিকে আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। শামীমা এখন সিরিয়ার একটি শরণার্থীশিবিরে আছেন।

আকুনজি শুক্রবার টুইটে বলেন, ‘এখনো শতভাগ নিশ্চিত না হলেও তার ছেলে সন্তান মারা যাওয়ার ব্যাপারে আমরা শক্ত ধারণা করছি। সে ব্রিটিশ নাগরিক ছিল।’

২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্কুলপড়ুয়া তিন তরুণী যুক্তরাজ্য থেকে পালিয়ে সিরিয়ায় আইএসের সঙ্গে যোগ দেন। এদের মধ্যে শামীমা বেগম (১৯) এবং খাদিজা সুলতানা (২০) ছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত। তারা পূর্ব লন্ডনের বাংলাদেশি-অধ্যুষিত বেথনাল গ্রিন একাডেমি নামের একটি স্কুলের ছাত্রী ছিলেন।

শামীমা, খাদিজার মতো অন্য তরুণী আমিরা আব্বাসও বিদেশি আইএস যোদ্ধাকে বিয়ে করেন। ২০১৬ সালের এক অভিযানে খাদিজা মারা যান। আমিরা এখনো বেঁচে আছেন।

এর আগে শামীমার এক বছরের মেয়ে এবং তিন মাসের আরেকটি ছেলে মারা যায়। তৃতীয় সন্তানকে বাঁচাতে তিনি ব্রিটেনে ফিরতে চাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। কিন্তু ব্রিটিশ সরকার ইতিমধ্যে তার নাগরিকত্ব কেড়ে নিয়েছে। বাংলাদেশও জানিয়ে দিয়েছে তিনি এ দেশের নাগরিক নন।

বাংলাদেশে শামীমাদের বাড়ি সুনামগঞ্জে। তার বাবা আহমেদ আলীর দুই বিয়ে। দুই সংসারে তার চার মেয়ে। শামীমার মায়ের নাম আসমা। মেয়েরা শুধু যুক্তরাজ্যে থাকলেও আহমেদ আলী মাঝে মাঝে বাংলাদেশে আসেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত