মাদক ব্যবসায়ীদের ধরিয়ে দেওয়ায় রাজধানীর গোড়ানে আব্দুল ওহাব (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে হত্যা করা হয়েছে।
রোববার রাতে শান্তিপুর স্কুলের পেছনের মাঠে ইট দিয়ে তার মাথা থেঁতলে রাখা হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোর রাত চার টার সময় তার মৃত্যু হয়েছে। নিহত ওহাব পুলিশের তথ্যদাতা (সোর্স) হিসেবে কাজ করত।
শান্তিপুরে হত্যাকাণ্ডের শিকার ওহাবের স্ত্রী সুইটি জানান, ঝালকাঠি সদর উপজেলার শিমুলেশ্বর গ্রামের মৃত হাতেম আলীর ছেলে ওহাব। সে থাকত খিলগাঁও সিপাহিবাগ উত্তর গোড়ান ২৪৮ নম্বর বাসায়। খিলগাঁও থানা-পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করত ওহাব।
রোববার বিকেলে বাসা থেকে বের হয় সে। পরে রাত ১০ টার দিকে তার মোবাইলে ফোন করে কেউ একজন। ফোনে বলা হয়, ওহাব ভুঁইয়া পাড়া ঝিলপারে পাড়ে পড়ে ছিল। তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পরে স্ত্রী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে গিয়ে স্বামীকে দেখতে পান। সেখান থেকে ওহাবকে পান্থপথের ইউনিহেল্থ নামের একটি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর ৪ টায় মারা যান তিনি। তবে কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি সুইটি।
খিলগাঁও থানার ওসি মশিউর রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ওহাব এলাকার বেশ কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ীকে ধরিয়ে দিয়েছিল। সে থানা-পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করত। মাদক ব্যবসায়ীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তার মাথা ইট দিয়ে থেঁতলে দেয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। এঘটনায় মোট চারজন মাদক ব্যবসায়ীদের নাম জানা গেছে। তাদের মধ্যে একজনকে আটক করা সম্ভব হয়েছে। সে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকার করেছে। অপর মাদক ব্যবসায়ীদের আটক করার চেষ্টা চলছে।
