গ্রাম্য সালিশ বৈঠককে কেন্দ্র করে এক গৃহবধূর করা মামলায় লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার পলাশী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি শওকত আলীকে (৫০) কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। গতকাল সোমবার লালমনিরহাট আদালতের বিচারক দায়রা জজ কে এম মোস্তাকিনুর রহমান জামিন বাতিল করে শওকত আলীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার বিবরণ ও আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পলাশী ইউনিয়নের মদনপুর খামারটারী গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে সুজন মিয়ার সঙ্গে পার্শ্ববর্তী হাতীবান্ধা উপজেলার ভেলাগুড়ি ইউনিয়নের আশরাফুলের মেয়ে আরফিনা বেগমের গত বছর বিয়ে হয়। বিয়ের পরদিনই তাদের মধ্যে ঝগড়া বাধে। একপর্যায়ে আরফিনা স্বামী সুজনের লিঙ্গে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন। এ ঘটনায় দুপক্ষকে নিয়ে পলাশী ইউপি কার্যালয়ে সালিশ বৈঠকে বসেন চেয়ারম্যান শওকত আলী। বৈঠকের একপর্যায়ে ইউপি চেয়ারম্যান ওই গৃহবধূর কাছ থেকে জোরপূর্বক ফাঁকা স্ট্যাম্পে সই নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় আরফিনা বাদী হয়ে চেয়ারম্যান শওকত আলীসহ স্বামীর পরিবারের কয়েকজনকে অভিযুক্ত করে মামলা করেন।
মামলার আসামি শওকত আলী গতকাল আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।
