দুই প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ১১

আপডেট : ২৩ মার্চ ২০১৯, ০৮:৫১ পিএম

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দুই প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে গত শুক্রবার রাতে উপজেলার কর্শা কড়িয়াইল ইউনিয়ন বাজারে। এ সংঘর্ষ ঘটে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী সাকাউদ্দিন আহমেদ রাজন (নৌকা) ও মনোনয়নবঞ্চিত স্বতন্ত্র প্রার্থী মাসুদ আল মামুন খানের (কাপ-পিরিচ) সমর্থকদের মধ্যে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ১৫-২০টি গুলি ছোড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা ওই বাজারে গণসংযোগ করার সময় মুখোমুখি হয়ে উত্তেজনাকর সেøাগান দেয়। এ সময় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তখন আশপাশের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে সংঘর্ষ আরও ব্যাপক আকার ধারণ করে। ফলে ঘণ্টাব্যাপী দুই পক্ষের মধ্যে চলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ। দুই পক্ষেরই নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় অন্তত ১১ জন আহত হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। খবর পেয়ে পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি ঘটনাস্থলে ছুটে যায় এবং ১৫-২০টি গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ ব্যাপারে নৌকার প্রার্থী সাকউদ্দিন আহমদ রাজনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কাপ-পিরিচ মার্কার মিছিল থেকে উসকানিমূলক সেøাগান দিয়ে আমাদের মিছিলে হামলা করে। তারা নৌকা প্রতীকের রেপ্লিকা ভাঙচুর করেছে।’

কাপ-পিরিচ প্রতীকের প্রার্থী মাসুদ আল মামুন খান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘নৌকার মিছিল থেকে আমাদের মিছিলে আক্রমণ করা হয়েছে আগে। আমার কর্মী-সমর্থকরা কোনো হামলা করেনি। শুধু প্রতিবাদ করেছে মাত্র।’

কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ওসি মো. আবু বাক্কার সিদ্দিক বলেন, দুই পক্ষের উত্তেজনাকর স্লোগানের কারণেই এ সংঘর্ষের সূত্রপাত। কোনো পক্ষই লিখিত অভিযোগ করেনি। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত