বৃহস্পতিবার দুপুরে কামাল আতাতুর্ক এভিনিউয়ের ২২তলা এফ আর ভবনে আগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত হন মাকসুদুর। তিনি ভবন থেকে লাফিয়ে নামতে গিয়ে নিহত হন।
আগুন লাগার পর অনেককে দেখা যায় বিভিন্ন কেবল (তার) ধরে নিচে আসতে এবং লাফিয়ে পড়তে। তাদের মধ্যে একজন মাকসুদুর। তিনি ওই ভবন থেকে লাফিয়ে পড়েন। কিন্তু বাঁচতে পারেননি। ওই ভবনে একই অফিসে চাকরি করা তার স্ত্রী রুমকিও বেঁচে নেই।
রুমকি ও মাকসুদুরের বিয়ে হয় তিন বছর আগে। তারা ওই ভবনের একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে কাজ করতেন। রাজধানীর গেন্ডারিয়ার ফরিদাবাদ এলাকায় তারা বসবাস করতেন।
মাকসুদুরের খালতো ভাই ইমতিয়াজ সাংবাদিকদের বলেন, তারা পুরান ঢাকার বাসিন্দা। পরিবারের একমাত্র ছেলে মাকসুদুর। বাবা মারা গেছেন ছোট বেলায়। স্বামী-স্ত্রী একই অফিসে চাকরি করতেন। সম্প্রতি মাকে নিয়ে নতুন কেনা ফ্ল্যাটে ওঠার কথা ছিল। কিন্তু এখন সবই শেষ!
এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় ১৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
