সীতাকুন্ড থানা দিঘির অবস্থান পৌরসভার প্রাণকেন্দ্রে হলেও সংরক্ষণে উদাসীনতার কারণে এটি এখন ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সীতাকু- থানা সংলগ্ন থানা দিঘি নামে পরিচিত এ দিঘিটির পুর্ব পাড়ে সীতাকু- সরকারি মহিলা কলেজ, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। পশ্চিম ও দক্ষিণ পাড়ে রয়েছে মসজিদ, কয়েকটি মার্কেট, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক ভবন। চারপাশে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান দিয়ে ঘেরা এই দিঘিতে চারদিক থেকে ফেলা আবর্জনায় পূর্ণ হয়ে তা পরিণত হয়েছে বড় আকারের ডাস্টবিনে। পুরো দিঘিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ময়লা আবর্জনা। পানি নষ্ট হয়ে গন্ধের কারণে দিঘির পাশ দিয়ে নাক বন্ধ করে হাঁটতে হয়। বেড়েছে মশা-মাছির উপদ্রব।
সীতাকু- থানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সুলতানা ইয়াসমিন বলেন, ‘দুর্গন্ধে শ্রেণিকক্ষের জানালা খোলা যায় না, গরমে অতিষ্ঠ হয়ে যায় শিশুরা।’ পৌরসভাকে অনেকবার জানানোর পরও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
পাশে মসজিদে আসা মুসল্লিদেরও ব্যবহার করতে হচ্ছে এর পানি। অথচ কয়েকটি মার্কেটের শৌচাগারের পয়ঃনিষ্কাশনের বর্জ্য অপসারণের পাইপের মুখ দেওয়া হয়েছে এই দিঘিতে। দিঘিটির ইজারাদার শাহ আলম বলেন, ‘পরিষ্কার করলেও মার্কেট থেকে আবারও আবর্জনা ফেলা হয়।’
এ ব্যাপারে পৌর মেয়র বদিউল আলম বলেন, ‘পুকুর পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব ইজারাদারের। বারবার বলার পরও সে পরিষ্কার রাখে না। দিঘির মালিকের সঙ্গে কথা বলে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করব।’
