বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার বাজারে আসতে চায় যুক্তরাজ্য

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০১৯, ০৩:০৮ এএম

বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন বলেছেন, উচ্চশিক্ষার বাজার খুলে দিতে বাংলাদেশ সরকারকে বলা হয়েছে। যাতে যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বাংলাদেশে পরিচালনা করা যায়। এতে বাংলাদেশের তরুণ ও মেধাবীরা বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা দেশেই পাবে। বাংলাদেশের মানবসম্পদের জন্য এটা অনেক বড় অবদান হবে। তিনি বলেন, সরকার ও মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এই বিষয় নিয়ে দেশটির পক্ষ থেকে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানের সিজসন হোটেলে এক সিম্পোজিয়ামে এসব কথা বলেন রবার্ট ডিকসন। ‘বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক : ভবিষ্যতের জন্য পূর্বাভাস’ শীর্ষক এই সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করেছে কসমস ফাউন্ডেশন।

হাইকমিশনার বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সংস্কৃতিগত এবং নিরাপত্তাবিষয়ক সম্পর্কের পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন,  ব্রেক্সিট- পরবর্তী ব্রিটেনের সঙ্গে বাংলাদেশের পারস্পরিক সমঝোতা দুই দেশের বাণিজ্যের জন্য উপকার বয়ে আনবে। রোহিঙ্গাদের বিষয়ে ডিকসন বলেন, রোহিঙ্গাদের তাৎক্ষণিক সহযোগিতা বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মধ্যে অসাধারণ অংশীদারত্বের অবদান। রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি বাংলাদেশের অন্য জনগোষ্ঠীর জন্যও কাজ চলছে।

বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সংস্কৃতিগত ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরে ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ-ব্রিটেন সম্পর্ক গভীর ও প্রশস্ত। বাণিজ্যিক সম্পর্কের ফলে বাংলাদেশ প্রচুর কর পাচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তার সম্পর্কও তৈরি হয়েছে এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ হচ্ছে। জাতিসংঘ মিশনে শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ ছাড়া এই দুই দেশই মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদ দমনে পরস্পর সহযোগী হয়ে অনেক কাজ করছে।

তিনি বলেন, ‘দুই দেশই জঙ্গিবাদ ও অস্থিরতার হুমকি সামলাতে কাজ করছে। এর অংশ হিসেবে আমরা বাংলাদেশকে মানবাধিকার, জনগণের একতা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে সহায়তা করতে চাই।’

যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন কসমস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এনায়েতুল্লাহ খান।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত