ফরিদপুরের দুদকের করা একটি মামলায় জাল দলিল করার দায়ে আট জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে ফরিদপুরের স্পেশ্যাল জজ আদালতের বিচারক মো. মতিয়ার রহমান এই রায় দেন।
সাজা প্রাপ্তরা হলেন, গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়ার সহকারি সাব রেজিষ্টার রবেন্দ্র নাথ বিশ্বাস (দন্ডবিধি ৪৬৭/১০৯ ধারা মোতাবেক ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থ দণ্ড অনাদায়ে আরো দুই মাসের কারাদণ্ড) জমি বিক্রেতা সভারঞ্জন রক্ত, রমেশ রক্ত, সুনীল রক্ত, জমি গ্রহীতা প্রমানন্দ মল্লিক (দণ্ডবিধি ৪৬৭ ধারা মোতাবেক যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থ দণ্ড অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড), সাক্ষী নূরুজ্জামান হাওলাদার, বিপ্লব দত্ত, আলী আকবর ( দণ্ড বিধি ৪৬৭/১০৯ ধারা মোতাবেক ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থ দণ্ড অনাদায়ে আরো ৩ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে আদালত)।
রায় ঘোষণার সময় সাবরেজিস্ট্রার রবেন্দ্র নাথ বিশ্বাস এবং জমি গ্রহীতা প্রমানন্দ মল্লিক পালাতক ছিলো, অন্যরা আদালতে উপস্থিত ছিলো। আদালতের নিদের্শে তাদের জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
ফরিদপুরের দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান জানান, গোপালগঞ্জ জেলা কোটালী পাড়ার ৫৩ নম্বর রারিব বিল মৌজার আর এস ৪২৭ নং খতিয়ানের ৩৮৮ নং দায়ের ৩২ শতাংশ জমি মালিক হরিপদ দত্ত। তিনি দীর্ঘ দিন অনুপস্থিত থাকায় এসএ রেকর্ডে অন্য নামে লিপিবদ্ধ হয়। পরবর্তীতে উক্ত জমি সরকারি ভিপি সম্পদ হিসেবে গণ্য হয়।
কিন্তু গত ৬/৬/১২ সালে ২০৬৬ নং দলিলের মাধ্যমে উক্ত জমির ২২ শতাংশ নিজের নামে দলিল করে নেয় আসামিরা।
এ ঘটনায়, গত ২০১৪ সালে ১১ মার্চ হরিপদ দত্তের নাতনি সবিতা রানি বাদি হয়ে নয় জনকে আসামি করে কোটালিপাড়া থানায় জাল দলিলের অভিযোগে মামলা করে। পরবর্তী ফরিদপুরে দুদক মামলাটি তদন্ত করে ২০১৮ সালে ২৬ ফেব্রুয়ারি চার্জশিট দেয় আদালতে ।
তিনি বলেন বিজ্ঞ বিচারক আসামি মঙ্গলবার বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করেন ।
