পুরোনো ধর্ষণ মামলায়ও ফাঁসতে পারেন অ্যাসাঞ্জ

আপডেট : ১২ এপ্রিল ২০১৯, ০৮:৩৯ পিএম

বিপদ আসলে চারদিক থেকেই আসে। উইকিলিকসের সহপ্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের জন্য কথাটি যেন চরম সত্য হচ্ছে। লন্ডনে গ্রেপ্তার হওয়ার পর সুইডেন থেকে তার বিরুদ্ধে করা পুরোনো ধর্ষণ মামলা নতুন করে তদন্ত করতে চাওয়ার কথা বলা হচ্ছে।

৪৭ বছর বয়সী অ্যাসাঞ্জকে বৃহস্পতিবার লন্ডনে ইকুয়েডরের দূতাবাসে গ্রেপ্তার করা হয়। সাত বছর ধরে সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয়ে ছিলেন তিনি।

এক সুইডিশ প্রসিকিউটর বিবিসিকে জানিয়েছেন, ভুক্তভোগীর আইনজীবীর অনুরোধে তারা মামলাটি আবার শুরু করবেন।

২০১০ সালে অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। স্টকহোমে উইকিলিকসের একটি সভার পর ওই ঘটনা ঘটে। অ্যাসাঞ্জ সব সময় ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, দুজনের সম্মতিতে সেদিন যৌন সম্পর্ক হয়।

ইকুয়েডরের দূতাবাসে থাকায় সুইডেন সরকার ওই মামলার তদন্তকাজ চালিয়ে নিতে ব্যর্থ হয়। ২০১৭ সালে থেমে যায় মামলাটি।

অলাভজনক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান উইকিলিকস যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের কোটি কোটি সংবেদনশীল ও গোপন নথি ফাঁস করে বিশ্বে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের রোষানলে পড়েন উইকিলিকসের প্রধান অ্যাসাঞ্জ। গ্রেপ্তার ও যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণ ঠেকাতে ২০১২ সালে লন্ডনে ইকুয়েডরের দূতাবাসে আশ্রয় নেন তিনি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত