নববর্ষে যাত্রীদের উপহার দিল রেলওয়ে

আপডেট : ১৬ এপ্রিল ২০১৯, ০২:৫০ এএম

যাত্রীদের ফুল দিয়ে আমন্ত্রণ, বাচ্চাদের চকলেট দিয়ে আপ্যায়ন এবং বিভিন্ন উপহার সামগ্রী বিতরণের মধ্যে দিয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করল বাংলাদেশ রেলওয়ে।

গত রবিবার পহেলা বৈশাখের দিন এই রকম সৌহার্দ্যপূর্ণ দৃশ্য চোখে পড়ে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া চট্টগ্রাম অভিমুখী মহানগর প্রভাতী আন্তঃনগর ট্রেনে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা জোনের সিনিয়র ইন্সপেক্টর রেজাউল করিম জাহাঙ্গীর বলেন, ‘যাত্রীদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করার জন্য এরকম কার্যক্রমের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। আমরা যাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি কারণ যাত্রীরা যেন আগ্রহী হয়ে আরও বেশি করে ট্রেনে ভ্রমণ করে।’

বর্তমান সরকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করে ট্রেনের এই ইন্সপেক্টর বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যাত্রীদের সুবিধার জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের সব খাতে গুরুত্ব দিচ্ছেন। আশা করি সবার সহযোগিতায় বাংলাদেশ রেলওয়ের সব সমস্যা দূর হয়ে উন্নয়নের নতুন মাত্রা যোগ হবে শিগগিরই।’ যাত্রীদের ট্রেনে ভ্রমণ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘এ রেল আপনাদেরই, আপনাদের নিজেদের সম্পদ রক্ষার্থে এগিয়ে আসুন।’

বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা জোনের পরিবহন পরিদর্শক হামিদুল ইসলাম খান বলেন, আমি যোগদানের পর থেকেই দেখে আসছি বাঙালির উৎসবের দিনগুলোতে যাত্রীদের বিশেষ সেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এবারও তাই পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে প্রতিটি ট্রেনে যাত্রীদের রজনীগন্ধা ফুলের তোড়াসহ বাচ্চাদের জন্য চকলেটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাছাড়া ছয়টি বিশেষ রোডে যেমন ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, ঢাকা থেকে সিলেট, ঢাকা থেকে জয়দেবপুর ইত্যাদি আরও কয়েকটি রোডে লটারির মাধ্যমে যাত্রীদের বিভিন্ন উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, যাত্রীদের সঙ্গে নিয়ে নববর্ষ উদাযাপন করতে পেরে আমরা নিজেরাও অনেক আনন্দিত।

আতাউর রহমান কমলাপুর থেকে মহানগর প্রভাতী ট্রেনে চড়ে কুমিল্লায় যাচ্ছেন। তিনি বলছিলেন, “এমন উদ্যোগ খুবই ভালো লাগছে আমার কাছে। আমি মহানগর প্রভাতী ট্রেনের ‘গ’ বগির ২২ থেকে ২৪ নাম্বার যাত্রী। পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছি। ট্রেনে কিছু কর্মকর্তা এসে বক্স থেকে একটি কুপন ওঠাতে বললেন আমাকে। তখন আমার মেয়ে একটি কুপন ওঠালে উপহার হিসেবে একটি ছাতা পাই।”

ঢাকা বিমানবন্দর স্টেশন থেকে মহানগর প্রভাতীতে ওঠা আশরাফ বলেন, ‘বাংলাদেশ ট্রেনের এমন আনন্দ উৎসবমুখর কাজ নিশ্চয়ই আমাদের অনুপ্রাণিত করে। বাংলাদেশ রেলওয়ে আগের জায়গা থেকে অনেক উন্নতি হয়েছে, আমরা এর ধারাবাহিকতা দেখতে চাই।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত