ময়মনসিংহের ভালুকায় পল্লীবিদ্যুতের গ্রাহক না হয়েও ৫০৫১ টাকা বকেয়া বিলের মিথ্যে মামলায় উপজেলার বিরুনীয়া গ্রামের মুসলেমউদ্দিন মন্ডলের ছেলে জালালউদ্দিন মন্ডলকে (৫০) তিন দিন হাজতবাস করতে হয়েছে। অথচ মামলা হয়েছে পাশের কাইছান গ্রামের মোসলেমউদ্দিনের ছেলে জামালউদ্দিনের (জালাল) নামে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২ (ভালুকা)-এর গ্রাহক কাইছান গ্রামের মোসলেমউদ্দিনের ছেলে মো. জামালউদ্দিনের (জালাল) নামে ৩৫২-৫৩০০ নং হিসাব নম্বরে ৫০৫১ টাকা বকেয়া বিলের অভিযোগ দিয়ে পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি ভালুকার তৎকালীন এজিএম (প্রশাসন) সেকান্দর আলী বাদী হয়ে আদালতে মামলা (নম্বর ৬৬৩০/১৮) করেন। ওই মামলায় গত ১৩ এপ্রিল রাতে বিরুনীয়া গ্রামের মুসলেমউদ্দিন ম-লের ছেলে জালালউদ্দিন ম-লকে নিজ বাড়ি থেকে মডেল থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে প্রেরণ করে। তিন দিন বিনা অপরাধে তিনি হাজতে থাকার পর এক হাজার টাকা মুসলেকা দিয়ে জামিনে ছাড়া পান।
হয়রানির শিকার ব্যক্তি জালালউদ্দিন ম-ল জানান, তিনি পল্লীবিদ্যুতের কোনো গ্রাহক নন। জামিনে বের হয়ে তিনি ময়মনসিংহ পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২ (ভালুকা)-এর কার্যালয়ে গেলে অফিসের লোকজন তাকে মামলার কপি সরবরাহ, এমনকি কোনো ধরনের সহযোগিতা করেনি।
মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিলকারী ভালুকা থানার এসআই মোস্তফা জানান, আসামির নাম-ঠিকানা দেখেই তাকে গ্রেপ্তার করে হাজতে পাঠানো হয়েছে। ময়মনসিংহ পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২-এর এজিএম তুহিন রহমান জানান, ‘মামলার কপি দিতে জিএম স্যারের নিষেধ থাকায় তা দেওয়া সম্ভব হয়নি।’ এ বিষয়ে জানতে জিএম জহুরুল ইসলামের অফিসে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তার মোবাইলে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
