কিশোরগঞ্জে আধা ঘণ্টায় বজ্রপাতে নিহত ৬

আপডেট : ০৩ মে ২০১৯, ০৭:৫৫ পিএম

কিশোরগঞ্জে ৩০ মিনিটের ঝড়ের সঙ্গে বজ্রপাতে ছয়জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার দুপুর আড়াইটা থেকে ৩টার মধ্যে জেলার মিঠামইনে দুজন, ইটনায় একজন ও পাকুন্দিয়ায় উপজেলায় চারজন নিহতের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, সুমন মিয়া (৬), মহিউদ্দিন (২১), রুবেল দাস (২৬), আসাদ মিয়া (৪৫), নুরুন্নাহার (৩২) ও মুজিবুর রহমান (৩৫)।

জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে মিঠামইনে উপজেলার কুড়ারকান্দি গ্রামের হাওর থেকে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে শিশু সুমন মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। এ সময় শিশুর সঙ্গে থাকা বাছুরটিও বজ্রাঘাতে মারা যায়।

একই সময়ে এ উপজেলার বৈরাটি ইউনিয়নের বিরামচর গ্রাম সংলগ্ন হাওরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মহিউদ্দিনের মৃত্যু হয়। বিষয়টি মিঠামইন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান লায়ন মো. মতিউর রহমান নিশ্চিত করেছেন। সুমন মিয়া উপজেলার কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের কুড়ারকান্দি গ্রামের এবাদ মিয়ার ছেলে এবং নিহত মহিউদ্দিন উপজেলার বৈরাটি ইউনিয়নের বিরামচর গ্রামের মো. গোলাপ মিয়ার ছেলে।

এ দিকে শুক্রবার দুপুরে ইটনা উপজেলায় বৃষ্টিপাতের সময় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। রুবেল দাস এ সময় হাওরে কৃষি কাজ শেষে  বাড়ি ফেরার পথে বজ্রাঘাতে গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে ইটনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত রুবেল দাস উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের কাঠুইর গ্রামের রাকেশ দাসের ছেলে। ইটনা থানার ওসি মোহাম্মদ মুর্শেদ জামান বিপিএম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

অন্যদিকে পাকুন্দিয়ায় গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে কৃষক আসাদ মিয়া নিহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের কোষাকান্দা গ্রামে বজ্রপাতে এই প্রাণহানির ঘটনাটি ঘটে।

নিহত আসাদ মিয়া উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের কোষাকান্দা গ্রামের মৃত আয়েছ আলীর ছেলে। বিষয়টি পাকুন্দিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ ইলিয়াস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

বজ্রপাতে নিহত অপর দুজন হলেন, নুরুন্নাহার (৩২), বাবা আলতাফ উদ্দিন, পাকুন্দিয়া চর আলদী গ্রাম; একই গ্রামের ইনতাজ আলীর ছেলে মুজিবুর রহমান (৩৫)।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত