ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র প্রভাবে বরগুনার পাথরঘাটায় প্রচণ্ড দমকা হাওয়ায় ঘর নিচে চাপা পরে নিহত হয়েছেন একই পরিবারের দাদি ও নাতি।
নিহতরা হলেন- পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানি গ্রামের দাদি নুরজাহান বেগম(৬০) ও নাতি জাহিদুল ইসলাম(৮)।
শুক্রবার ভোররাতে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার দক্ষিণ চরদুয়ানি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এ ছাড়াও একই উপজেলায় গাছ চাপায় ইউনুস (৩৫) ও আবদুর রহমান(৪০) নামের আরো দুইজন আহত হয়। আহতদের পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
পাথরঘাটা উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম কবির জানান, মধ্যরাতের পর পাথরঘাটায় প্রচণ্ড বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে শুরু করে। রাত তিনটার দিকে উপজেলার দক্ষিণ চরদুয়ানি গ্রামে ঝড়ে গাছ উপড়ে ঘরের উপর পরে। এতে ঘর বিধ্বস্ত হয়ে নিচে চাপা পরে নূরজাহান বেগম (৬০) নামের এক বৃদ্ধ এবং জাহিদুল ইসলাম (৮) নামের এক শিশু নিহত হন। নিহত নুরজাহান ও জাহিদুল সম্পর্কে দাদি ও নাতি।
এ বিষয়ে পাথরঘাটা উপজেলায় দুর্যোগকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসেন জানান, আমরা বিষয়টি জেনেছি। ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহায়তা দেওয়া হবে। জোয়ারের পানি বিষখালী ও বলেশ্বর নদীতে স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ থেকে ৪ ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও জানান।
তিনি আরো জানান, শনিবার দুপুর থেকে শুরু হওয়া দমকা হাওয়ায় পাথরঘাটা উপকূলীয় এলাকায় শতাধিক আধাপাকা ঘর ও গাছপালার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
