মৃত্যুর ১১ দিন পর গতকাল শনিবার দুপুরে দেশে এসেছে লোকসংগীত গবেষক মাহবুব পিয়ালের মরদেহ। এরপর বেলা ৩টায় তার দীর্ঘদিনের কর্মস্থল ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হয় প্রথম জানাজা। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। সেখানে বাদ এশা স্থানীয় কান্দিপাড়া মাদ্রাসায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে শহরের শেরপুর কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হন মাহবুব পিয়াল।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাহিত্য একাডেমির সভাপতি জয়দুল হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘কিছুদিন আগেই প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী অমর পাল চলে গেলেন। তার কয়েক দিন পরই পিয়ালকে হারালাম। অল্পদিনের ব্যবধানে দুই গুণিজনকে হারাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া।’
মাহবুব পিয়ালের জন্ম ১৯৬৯ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। মুক্তনাটক আন্দোলনের একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই লোকগান নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। দেশের নানা এলাকা ঘুরে লোকগান সংগ্রহ করেছেন ৩০ বছর ধরে। ২০০৮ সালে প্রকাশিত হয় তার প্রথম অ্যালবাম ‘কোন রঙে ডাকো রে’। এরপর ২০০৯ সালে ‘মেঘরাজা’। ২০১০ সালে সারিগান নিয়ে প্রকাশ করেছেন ‘গাঙ্গে নয়া পানি’। শেষ অ্যালবাম ‘মন মন উড়াপাখি’।
