পোশাক খাত নিয়ে গবেষণায় তথ্য

৭৩ ভাগ শ্রমিক নারী, ওপরের স্তরে মাত্র ৪ শতাংশ

আপডেট : ০৬ মে ২০১৯, ১২:৪৪ এএম

দেশে পোশাক শ্রমিকদের মধ্যে ৭৩ শতাংশ নারী হলেও এক স্তর ওপরে লাইন চিফ ও সুপারভাইজার পদের নারী কর্মীর সংখ্যা মাত্র ৪ শতাংশ। এছাড়া ৩৫ লাখ শ্রমিকের মধ্যে মাত্র ২ লাখ ৬৬ হাজার ৩৫১ জন ট্রেড ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত। সম্প্রতি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) এক গবেষণায় এ চিত্র উঠে এসেছে।

সংস্থাটির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য নাঈমুল আহসান জুয়েল দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘গবেষণায় দেখতে পাচ্ছি, গত ৫ বছরে পোশাক খাতে প্রবৃদ্ধি বাড়লেও শ্রমিকদের জীবনমানের উন্নয়ন হয়নি।’ সংবাদপত্রের প্রতিবেদন জরিপ তুলে ধরে তিনি জানান, ৭৪ শতাংশ নারী শ্রমিক অতিরিক্ত কাজ করতে বাধ্য হন। পারিবারিক ও ব্যক্তি জীবনে শ্রমিকদের ৪০ শতাংশই বিষণœতায় ভোগেন।

গবেষণা অনুযায়ী, ২০১৩ সালে রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর ক্রেতাদের জোট অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স গত ৫ বছরে যথাক্রমে ৯০ ও ৯৩ শতাংশ সহযোগী কারখানার সংস্কারকাজ সম্পূর্ণ করে। এতে কারখানাগুলো শ্রমিকদের জন্য পুরোপুরি নিরাপদ না হলেও আগের তুলনায় অনেকাংশ ঝুঁকিমুক্ত। এদিকে সাব কন্ট্রাক্ট কারখানার শ্রমিকরা অত্যন্তঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ করেন। অনেক কারখানায় অবকাঠামোগত পরিবর্তন হলেও কাজের পরিবেশ এখনো বদলায়নি। গবেষণায় বলা হয়, পোশাক শিল্পের খাতের ২২ শতাংশ নারী শ্রমিককে এখনো শারীরিক, মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে। ২০১৮ সালে কর্মক্ষেত্রে বড় ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটলেও দুর্ঘটনায় ৩ জন শ্রমিক নিহত ও ১৮ জন আহত হয়েছে। তবে এ খাতের শ্রমিকদের ওপর সহিংসতা বেড়েছে। এছাড়া ২০১৮ সালে শুধু পোশাক শিল্প খাতে ১২৩টি শ্রমিক অসন্তোষের ঘটনা ঘটে। এতে সংঘর্ষে আহত হয় ২৯৮ জন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত