দম ফেলার ফুরসত নেই পোশাক কারিগরদের

আপডেট : ১৮ মে ২০১৯, ০৩:০৯ এএম

ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন রাজশাহী নগরীর পোশাক কারিগররা। রমজানের শুরু থেকেই তাদের দম ফেলার ফুরসত নেই। এরই মধ্যে নতুন অর্ডার নেওয়াও বন্ধ করে দিয়েছেন টেইলার্স মালিকরা। নগরীর বস্ত্র বিতাণগুলোতেও কেনাকাটা শেষ পর্যায়ে। মূলত থান কাপড়ের দোকানগুলোতে রমজানের আগে থেকেই কেনাকাটা শুরু হয়।

ঈদ মৌসুমে টেইলার্স মালিকরা যেমন অতিরিক্ত কর্মী নেন, তেমনি তাদের বাড়তি টাকা দিয়ে দিনরাত কাজ করান। নগরীর বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, টেইলার্সগুলোতে কাজের চাপে দম ফেলার সময় নেই কারিগরদের। এরই মধ্যে বড় মাপের বা জনপ্রিয় টেইলার্সে অর্ডার নেওয়া বন্ধ হয়ে গেলেও থেমে নেই থান কাপড় বিক্রি। নগরীর সাহেববাজার কাপড়পট্টিতে থান কাপড় কিনতে আসা জয়নাল হোসেন বলেন, রেডিমেড কাপড় সাধারণত শরীরের ফিটনেস অনুসারে পাওয়া যায় না। তাই ঈদে তৈরি পোশাক ব্যবহার করি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী সামিয়া সুলতানা বলেন, আমার বরাবরই পছন্দ সুতি কাপড়। আর এবার যেহেতু গরমেই ঈদ, কাজেই সুতিতেই ভরসা। দাম খুব বেশি পরিবর্তন হয়নি। আগের মতো দামেই বিক্রি হচ্ছে থান কাপড়। তিনি বলেন, সালোয়ার কামিজ ম্যাচিং করে কিনলাম, এখন ওড়না মেলানোর পালা। সামিয়া জানান, ভালো মানের টেইলার্সে এখন আর অর্ডার নিচ্ছে না। তাই পাড়ার টেইলার্সে বানাতে হবে।

নগরীর আরডিএ মার্কেটের টেইলার্স মালিক ফেরদৌস হাসান জানান, রোজা শুরুর আগে থেকেই অর্ডার আসতে শুরু করে। এতে অনেক বেশি চাপ পড়ে। রজমানের শুরুতেই অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছি। এসএম সামাদ অ্যান্ড সন্স দোকানের মালিক আজিজুল আলম বলেন, ‘সাধারণত শবেবরাতের পর থেকে এসব থান কাপড় বিক্রি শুরু হয়। ১৫ রমজান পর্যন্ত বিক্রি থাকে। শবেবরাতের পর ও রোজার আগে এ বছর বিক্রি হলেও এখন কম হচ্ছে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত