রাজধানীর ভাটারার সোলমাইদ পূর্বপাড়ার একটি বাসা থেকে গত শনিবার বিকেলে তানিয়া বেগম (২৭) নামে এক গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূর কথিত প্রেমিক ফয়সালকে আটক করা হয়েছে। তবে তানিয়ার স্বজনদের দাবি, ফয়সাল তার দ্বিতীয় স্বামী।
ভাটারা থানার ওসি আবু বকর সিদ্দিক দেশ রূপান্তরকে বলেন, শনিবার ওই বাসার ভেতর থেকে দুর্গন্ধ বের হলে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। তালা ভেঙে লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ। ময়নাতদন্ত শেষে গতকাল বিকেলে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ফয়সালকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না। তার স্বামী আজই (রবিবার) গ্রাম থেকে এসেছেন। তাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’
সুরতহাল প্রতিবেদনে ভাটারা থানার এসআই আল ইমাম রাজন উল্লেখ করেন, শনিবার বিকেলে সোলমাইদ পূর্বপাড়ার মোজাম্মেলের একতলা বিল্ডিংয়ের ভাড়াবাসার একটি রুম থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে ওই বাসার দরজার তালা ভেঙে খাটের ওপর কাঁথা ও লেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় তানিয়ার লাশ পাওয়া যায়। লাশ পচে ফুলে গেছে। কীভাবে মৃত্যু হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। তদন্তের স্বার্থে কিছু বলা যাচ্ছে না।’
তানিয়ার ছোট ভাই মেহেদি জানান, তাদের বাড়ি মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার কয়রিয়া গ্রামে। বাবার নাম চান মিয়া উরামি। দ্বিতীয় স্বামী ফয়সালের সঙ্গে সোলমাইদের ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন তানিয়া। এ স্বামীর ঘরে তাদের কোনো সন্তান নেই। তবে প্রথম স্বামী শাহ আলমের ঘরে একটি মেয়ে আছে। ফয়সাল মুদি দোকানি। ফয়সালই তার বোনকে খুন করেছে।
