ঈদের ছুটিতে ঘুরতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ

আপডেট : ০৯ জুন ২০১৯, ০২:২৫ এএম

বরিশালের হিজলায় ঈদের ছুটিতে ঘুরতে গিয়ে এক গৃহবধূ (২৫) দল বেঁধে ধর্ষণের শিকার হয়েছে। গত শুক্রবার বিকেলে হিজলার সাহাবুদ্দিন চৌধুরীপাড়া এলাকায় ওই গৃহবধূকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে বখাটেরা। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মানুন নামের একজনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার শারীরিক পরীক্ষার জন্য গৃহবধূকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে এক কিশোরীকে (১৪) ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রনি নামে এক তরুণের সঙ্গে ওই কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই কিশোরীকে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলের কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।        

 

রনির এক সহযোগীকে আটক করেছে পুলিশ।

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় পোশাককর্মীকে দল বেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় ৩ ধর্ষককে আটক করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ধর্ষণে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।  গতকাল শনিবার বিকেলে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুজ্জামান তার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো টিপু (২৩), আনোয়ার (২৬) ও আমির হামজা (২৫)। বিস্তারিত আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরÑ

হিজলায় গৃহবধূকে দল বেঁধে ধর্ষণ : বরিশালের হিজলায় এক গৃহবধূকে (২৫) দল বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মেহেন্দিগঞ্জ থানা-পুলিশ জানায়, গৃহবধূ তার স্বামীর সঙ্গে ঢাকায় থাকেন। আর জাকির গোলন্দাজ বরিশালে অটো টেম্পো চালায়। ঈদের ছুটিতে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন ওই গৃহবধূ। তাদের দাবি অনুযায়ী জাকির গোলন্দাজের সঙ্গে গৃহবধূর মেহেন্দিগঞ্জের উলানিয়া খেয়াঘাটে পরিচয়। সেই পরিচয়ের সূত্র ধরে তারা দুজন একসঙ্গে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে বখাটেরা জাকিরকে মারধর ও গৃহবধূকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে গৃহবধূ জানিয়েছেন ৪-৫ জন মিলে তাকে জোর করে ধর্ষণ করেছে। তবে মামুন নামে যাকে আটক করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে সরাসরি ধর্ষণের অভিযোগ নেই। সে ধর্ষণে সহযোগিতা করেছে। তবে আটক মামুনের মাধ্যমে পলাতক ধর্ষকদের নাম-পরিচয় জানা গেছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ভৈরবে কিশোরীকে ধর্ষণ : কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে এক কিশোরীকে (১৪) ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গত শুক্রবার রাতে মূল হোতা রনি মিয়াসহ তার তিন সহযোগী ইমন মিয়া (২২), নূর মোহাম্মদ (২১) ও আশিক (২০) মিয়ার বিরুদ্ধে থানায় মামলা হযেছে। এর মধ্যে গতকাল শনিবার দুপুরে আশিককে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, রনির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল ওই কিশোরীর। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই কিশোরীকে মোবাইল ফোনে কাশফুল নামে একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে ডেকে নিয়ে আসে রনি। কিশোরী তার খালাকে সঙ্গে নিয়ে ওই স্কুলে যায়। এরপর রনি ও ওই কিশোরীকে স্কুলের একটি কক্ষে ঢুকিয়ে তালা দেয়  স্কুলের পিয়ন ইমন মিয়া, সহযোগী নূর মোহাম্মদ ও আশিক মিয়া। কিশোরীর খালাকে বাইরে বের করে দিয়ে স্কুলের গেটেও তালা দেওয়া হয়। পরে খবর পেয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে পরিবারের সদস্যরা।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভৈরব থানার উপপরিদর্শক শ্যামল কান্তিনাথ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, প্রাথমিক তদন্তে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। ধর্ষিতাকে প্রয়োজনীয় ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নেত্রকোনায় তিনজন গ্রেপ্তার : নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় পোশাককর্মীকে দল বেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় ৩ ধর্ষককে আটক করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ধর্ষণে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। গতকাল শনিবার বিকেলে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুজ্জামান তার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো টিপু (২৩), আনোয়ার (২৬) ও আমির হামজা (২৫)। 

প্রেস ব্রিফিংয়ে ওসি রাশেদুজ্জামান বলেন, গত শুক্র ও শনিবার অভিযান চালিয়ে মদন, গৌরীপুর ও ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তারা ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে এবং টিপুকে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দির জন্য নেত্রকোনা আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় ধর্ষিত পোশাককর্মী ৩ জনকে আসামি করে ৭ জুন কেন্দুয়া থানায় মামলা করেন।

ধর্ষণের শিকার ওই পোশাককর্মী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘তিন ধর্ষককে পুলিশ আটক করেছ তা আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম। তাদের কঠিন শাস্তি চাই। আমার স্বামীর নাম সুমন নয় নুরে আলম। সুমন নামে আমি কাউকে চিনি না।’

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত