পেপার মিলের বর্জ্য ইছামতি গজারি খালে

আপডেট : ১৪ জুন ২০১৯, ১১:৩৭ পিএম

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার চাপড়িগঞ্জ বাজারে রাজা পেপার মিলের বর্জ্য ও দূষিত পানি ইছামতি গজারি খাল দূষণ করছে। দূষিত এই বর্জ্য ও পানির দুর্গন্ধে চাপড়িগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চাপড়িগঞ্জ এস এম ফাজিল মাদ্রাসার পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। গত দেড় বছর থেকে এই খালের পানি কোনো কাজেই ব্যবহার করতে পারছে না গোবিন্দগঞ্জ ও বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্জ্যরে দুর্গন্ধে দাঁড়িয়ে থাকা যায় না খালের পাশে। বর্জ্য পচে পানির রং কালো হয়ে গেছে। গোবিন্দগঞ্জের করতোয়া নদীর ঘোড়ামারা এলাকা থেকে উৎপত্তি ইছামতি গজারি খালটি চলে গেছে দক্ষিণে বগুড়ার শিবগঞ্জের দিকে। খালের পার্শ¦বর্তী বার্নাআকুব গ্রামের তোতা মিয়া (৫৫) বলেন,  খালের পানি কৃষিকাজেও ব্যবহার করা যায় না। এ ছাড়া সেচের পানির অভাবে খালের পাশে বেশ কিছু কৃষিজমি অনাবাদি হয়ে পড়েছে। চকপাড়া গ্রামের আমজাদ হোসেন (৬৫) বলেন, বর্ষাকালে খালের পানি জমিতে প্রবেশ করায় ফসলের ক্ষতি হচ্ছে। একই গ্রামের সহকারী অধ্যাপক আবদুল জলিল (৫২) জানান, পরিবেশ অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেও দূষণ বন্ধ করা যায়নি।

খাল দূষণের বিষয়টি রাজা পেপার মিলের ব্যবস্থাপক সোহেল আহমেদ স্বীকার করে বলেন, ২০১৮ সালের প্রথম দিকে মিল চালু করার সময় খালের পানি দূষিত হয়। এখন ইটিপি মেশিন ব্যবহার করায় আর খালে দূষিত পানি ঢুকছে না।

এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ প্রধান বলেন, মিল কর্তৃপক্ষ যদি বর্জ্য ও দূষিত পানি খালে ছেড়ে দেয় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত