বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসা তাজিক প্রেসিডেন্টের

আপডেট : ১৫ জুন ২০১৯, ০৩:২৫ এএম

তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট এমোমালি রহমোন বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক খাতের দ্রুত উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রশংসা করেছেন। আগামী দিনগুলোতে ভ্রাতৃপ্রতিম এই দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে তাজিকিস্তানের রাজধানী দুশানবেতে দেশটির প্রেসিডেন্ট এমোমালি রহমোনের সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে প্রেসিডেন্ট এমোমালি রহমোন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদকে এসব কথা বলেন বলে বাসসকে জানিয়েছেন তার প্রেস সচিব জয়নাল আবেদিন। তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট কাউন্টার টেররিজম এবং সমম্বিত অভিযানের ব্যাপারে একত্রে কাজ করারও আগ্রহ প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ তাজিকিস্তানে কনফারেন্স অন ইন্টারঅ্যাকশন অ্যান্ড কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজার্স ইন এশিয়ার (সিআইসিএ) পঞ্চম সম্মেলনে যোগ দিতে সরকারি সফরে এখন দুশানবেতে রয়েছেন।

তাজিক প্রেসিডেন্ট তৈরি পোশাক খাতকে (আরএমজি) একটি সম্ভাবনাময় খাত উল্লেখ করে এ খাতে যৌথ বিনিয়োগে একত্রে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। ব্যবসা-বাণিজ্য জোরদারের কথা তুলে ধরে তাজিক প্রেসিডেন্ট উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময়, বিশেষ করে দুই দেশের ব্যবসায়ী নেতাদের সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠককালে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে তাজিকিস্তানের সহযোগিতা চান এবং তাজিক প্রেসিডেন্ট সম্ভাব্য সব সহযোগিতার আশ্বাস দেন। বিশ্বমানের পণ্য উৎপাদন করার কথা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক, ওষুধ, পাট ও পাটপণ্য আমদানির জন্য তাজিকিস্তানের প্রতি আহ্বান জানান।

আবদুল হামিদ বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সবসময় জিরো টলারেন্স নীতি প্রদর্শন করে আসছে। তাজিকিস্তান ও বাংলাদেশ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ফোরামে বিভিন্ন ইস্যুতে অভিন্ন মতামত পোষণ করে এবং একে অন্যকে সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে।’

এর আগে গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাত ৯টা ৫২ মিনিটে দুশানবেতে পৌঁছান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। তিনি তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তানে সাত দিনের সফরে রয়েছেন। ১৯ জুন দেশে ফিরবেন রাষ্ট্রপতি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত