নবীগঞ্জ উপজেলায় সরকারি ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠায় তা স্থগিত করা হয়েছে। গঠন করা হয়েছে ৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি।
অভিযোগ উঠে যে, কতিপয় ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বর তাদের আত্মীয়-স্বজন, রাজনৈতিক নেতা প্রকৃত কৃষকদের নিকট থেকে কমমূল্যে ধান ক্রয় করে সরকারি গোদামে উচ্চমূল্যে বিক্রি করেন।
প্রকৃত কৃষকরা ধান বিক্রি করতে গেলে ভেজা, চিঠা সহ নানা অজুহাতে তাদেরকে ফিরিয়ে দেন খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীরা। এমতাবস্থায় কৃষকরা বাধ্য হন জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাদের কাছে ধান বিক্রি করতে।
এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখতে হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজ মিলাদ এমপির নির্দেশে নবীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আতাউল গণি ওসমানীকে আহবায়ক করে ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ধান-চাল সংগ্রহ কমিটির সভাপতি তৌহিদ বিন-হাসান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদ বিন-হাসান বলেন, ধান সংগ্রহে অনিয়মের অভিযোগ উঠার পর পর আমরা এর কার্যক্রম স্থগিত করেছি। ইতোমধ্যে কিছু কিছু অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।
