আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে উপজাতিদের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেনি বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং। এ ছাড়া এই বাজেটে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ কমানোরও সমালোচনা করেছেন তিনি।
পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের অন্যান্য এলাকার উপজাতিদের উন্নয়নে অগ্রাধিকার এবং জাতীয় বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দের দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার যৌথ সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম, এএলআরডি এবং কাপেং ফাউন্ডেশন।
সে সময় লিখিত বক্তব্যে সঞ্জীব দ্রং বলেন, ‘বাজেটের আকার বাড়লেও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে গত বছরের তুলনায় বরাদ্দ ১১৫ কোটি টাকা কমানো হয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এ মন্ত্রণালয়ে বাজেট বরাদ্দ ছিল মোট (উন্নয়ন ও পরিচালন মিলিয়ে) ১ হাজার ৩০৯ কোটি টাকা। এবারের প্রস্তাবে তা ধরা হয়েছে ১ হাজার ১৯৪ কোটি টাকা।
তিনি জানান, ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে পরিচালন খাতে ধরা হয়েছে ৩৫৩ কোটি এবং উন্নয়ন খাতে ধরা হয়েছে ৮৪১ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে পরিচালন খাতে বরাদ্দ ছিল ৩২০ কোটি এবং উন্নয়ন খাতে ছিল ৯৮৯ কোটি টাকা।
সংবাদ সম্মেলনে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা বলেন, পার্বত্য চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য জাতীয় বাজেটে এর প্রতিফলন থাকতে হবে। নির্বাচনী ইশতেহারে সমতল ও পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের জন্য অঙ্গীকারের কথা বলা হয়েছে, তা বাস্তবায়নে বাজেটে বরাদ্দ রাখতে হবে।
এ সময় উপজাতিদের বিষয়ে কিছু সুপারিশ বিবেচনায় নিয়ে প্রস্তাবিত বাজেটে সংশোধনী আনার দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলোÑ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সিএইচটি-এর আদিবাসীদের জন্য প্রস্তাবিত উন্নয়ন বরাদ্দ বাড়িয়ে কমপক্ষে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা করতে হবে।
