ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের অধীনে গবাদি পশু, ছাগল ও হাঁস-মুরগি পালন বাবদ মে ২০১৯-এ ১২ উপকারভোগীকে ঋণ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এ টাকা ভুয়া উপকারভোগী দেখিয়ে মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা শাহানা কাকলী তুলে নিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্বল্পসুদে গ্রামের দরিদ্র মহিলাদের স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে চরভদ্রাসন উপজেলার সদর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের নারীদের নামে ১৫ হাজার করে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ঋণ দেওয়া হয়। অভিযোগ উঠেছে, ওই কর্মকর্তা মিথ্যা উপকারভোগীর মধ্যে ১০ জনকে টাকা না দিয়ে নিজেই আত্মসাৎ করেন।
সদর ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্য মনিরা সুলতানা জানান, ‘১৫ হাজার টাকায় বছরে মাত্র ৭৫০ টাকা সুদ দিতে হয়। আমার অন্য জায়গায় বেশি সুদে ঋণ নেওয়া ছিল। তাই ভাগ্নি হেলেনার নামে ১৫ ও আমার নামে ১৫ হাজার করে ৩০ হাজার টাকা তুলে ওই পাওনাদারকে দিয়েছি।’
চরভদ্রাসন মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা শাহানা কাকলীর কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপনাদের তথ্য সঠিক না। আমার কাছে তালিকা আছে। তখন উপস্থিত সাংবাদিকরা তালিকাটি দেখতে চাইলে তিনি বলেন, দেখতে হলে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করতে হবে।’
তবে তিনি টাকা উত্তোলনের কথা স্বীকার করে বলেন, ‘সাজেদাকে ৩০ হাজার টাকা দিয়েছি, বাকি টাকা তুলে আমি ঈদের পরের সপ্তাহে অন্য এক অ্যাকাউন্টে জমা রেখেছি।’
