বছর দুয়েক আগে বিয়ে হয়েছিল ওই যুগলের। তাদের সংসারে সদ্যোজাত সন্তান। কিন্তু মন গলেনি তরুণীর বাবার। অন্য জাতে বিয়ে করায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মেয়েকে পিটিয়ে হত্যা করলেন এই পাষণ্ড।
ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপাতিতে জাতপাতের নির্মম শিকার হয়েছেন এই তরুণী।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার দিন হেমাবতী নামে বিবাহিত ওই তরুণী পালামানের সরকারি হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে এসেছিলেন। সঙ্গে ছিলেন স্বামী কেশভ ও সদ্যোজাত সন্তান।
ভারতীয় গণমাধ্যম এই সময় জানায়, পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ওই হাসপাতাল থেকেই মেয়েকে তুলে নিয়ে পিটিয়ে খুন করেন বাবা। খুনের পর পাতকুয়ার মধ্যে ফেলে দেওয়া হয় লাশ। স্ত্রীকে বাঁচানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন কেশভ।
কেশভের অভিযোগের ভিত্তিতে মেয়ের বাবা ভাস্কর নাইডুসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে এফআইআর হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত একজনকেও গ্রেপ্তার করা যায়নি।
থানায় দায়ের হওয়া অভিযোগ থেকে জানা গেছে, পরিবারের বিরুদ্ধে গিয়ে অন্য জাতে বিয়ে করার কারণেই এই খুন।
