টাকার অভাবে চিকিৎসা হচ্ছে না রাকিবের

আপডেট : ১১ জুলাই ২০১৯, ১২:০২ এএম

বাঁচতে চায় শিশু রাকিব (১৪)। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে শয্যাশায়ী সে।

স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি হলে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে ভর্তির পরামর্শ দিয়ে ছাড়পত্র দিয়েছেন চিকিৎসক। কিন্তু আর্থিক দৈন্যতায় দুই মাসের অধিক সময় পার হলেও ভর্তি করাতে পারেনি তার পরিবার। ফলে ধুকে ধুকে ক্ষয় হতে চলেছে তার জীবন।

রাকিবের বাড়ি নীলফামারী জেলা শহরের শান্তিনগর গ্রামে। তার বাবা মিজানুর রহমান শহরের বেসরকারি শিশু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আনন্দ নিকেতনে মাসে ৫০০০ টাকা বেতনে নৈশ প্রহরীর কাজ করেন। রাকিব তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করলেও রোগের কারণে লেখাপড়া থেমে যায় চতুর্থ শ্রেণিতে।

তার বাবা মিজানুর রহমান বলেন, ‘দুই বছর বয়সে হৃদযন্ত্রের ফুটা রোগ ধরা পড়ে রাকিবের। ওই সময়েই চিকিৎসক ঢাকায় নিয়ে উন্নত চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দেন। তার উন্নত চিকিৎসা করাতে অন্তত পাঁচ লাখেরও অধিক টাকা দরকার। কিন্তু সামান্য আয়ে সে সামর্থ্য হয়ে উঠেনি আমার। ফলে তখন থেকে রাকিবের যেমন বয়স হয়েছে, তেমনি রোগও জটিল হয়েছে। বর্তমানে সে চলাফেরা করতে না পারায় বাড়িতে শয্যাশায়ী।’

তিনি জানান, গত ২৮ মার্চ রাকিব গুরুতর অসুস্থ হলে নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করায়। সেখানে পাঁচ দিন চিকিৎসা শেষে ২ এপ্রিল জাতীয় হৃদরোগ ইনিস্টিটিউটে ভর্তির পরামর্শ দিয়ে ছাড়পত্র প্রদান করেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এরপর থেকে টাকার অভাবে সেখানে ভর্তি করাতে পারেননি তাকে।

নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষঞ্জ চিকিৎসক দিলীপ কুমার রায় বলেন,‘রাকিব ভিএসডি রোগে আক্রান্ত। তার সুস্থতার জন্য উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন। এজন্য তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনিস্টিটিউটে ভর্তির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’

রাকিবের মা রঞ্জিনা বেগম বলেন,‘টাকার অভাবে চোখের সামনে ছেলের জীবন শেষ হতে চলেছে। আমাদের তেমন কোন সহায় সম্বল নেই যা বিক্রি করে তার চিকিৎসা করাবো। আমার ছেলের জীবন রক্ষার্থে দেশের সামর্থ্যবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।’

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা

তার বাবা মিজানুরের সঙ্গে যোগাযোগের মোবাইল নম্বর ০১৩১৫১৫২৫২৭ ও ০১৮৩৭১৫৩০৫০। তার মা রঞ্জিনা বেগমের উত্তরা ব্যাংক নীলফামারী শাখার হিসাব নম্বর ১১১০০১১৮২২৫

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত