টিকটক ভিডিও বানাতে দুই কিশোর বন্ধু সুরমায় ঝাঁপ দিয়েছিল। তাদের আরেক বন্ধু সেই দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করে। ঝাঁপিয়ে পড়া দুজনের একজন সাঁতরে উঠে আসলেও অপর বন্ধু নদীতে তলিয়ে যায়। ঘটনার ৩ দিন পর সোমবার দুপুরে নিখোঁজ ওই কিশোরের লাশ সুরমা নদীতে ভেসে উঠে। খবর পেয়ে বিশ্বনাথের লামাকাজী এলাকায় সুরমা নদী থেকে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করেছে।
নিহত কিশোরের নাম আবদুস সামাদ (১৭)। দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সামাদ সিলেট নগরীর বাগবাড়ির মৃত শামসুল হকের ছেলে।
জালালাবাদ থানার ওসি অকিল উদ্দিন জানান, টিকটক ভিডিও বানাতে কিশোর সামাদ, মিলন ও অভি গত শুক্রবার বিকেলে সিলেট সদর উপজেলার তেমুখী এলাকায় সুরমা সেতুতে যায়। সেখানে অভি ভিডিও ধারণ করে এবং সামাদ ও মিলন নদীতে ঝাঁপ দেয়। এরপর মিলন তীরে উঠে আসলেও সামাদ নিখোঁজ হয়ে যায়।
তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে ওই দিন পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা নদীতে তল্লাশি চালালেও সামাদের কোন সন্ধান মেলেনি। সোমবার লামাকাজী এলাকায় সামাদের লাশ ভেসে উঠে। ওই এলাকাটি বিশ্বনাথ থানার অধীন হওয়ায় সেখান থেকে বিশ্বনাথ থানা-পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।
বিশ্বনাথ থানার ওসি মো. সামসুদ্দোহা জানান, সামাদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
