নাশকতার মামলায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান আয়েশা সিদ্দিকাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
সোমবার দুপুরে নীলফামারী মুখ্য বিচারিক হাকিম (চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট) মো. জাহেদুল ইসলাম জামিন না মঞ্জুর করে আয়েশা সিদ্দিকাসহ ওই মামলার আরো তিন আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার সূত্রমতে, নাশকতা ও সহিংসতা ঘটানোর পরিকল্পনায় ২০১৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে ডিমলা উপজেলা শহরের কুমার পাড়া গ্রামের মৃত ইয়াসিন আলীর বাড়িতে জমায়েতের নারী সংগঠনের অন্তত ৩৫ নেতা-কর্মী গোপন বৈঠক বসে। এ সময় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই পরিকল্পনার নেতৃত্বে থাকা সপুরা বেগমসহ জমায়েতের নারী সংগঠনের নয়জন নেতা-কর্মীকে আটক করে। অভিযানের সময় দলের সদস্য ডিমলা উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান আয়েশা সিদ্দিকাসহ আরো ২৫/২৬জন পালিয়ে যায়।
আটকদের স্বীকারোক্তিতে পরে ডিমলা থানার উপ-পরিদর্শক ইলিয়াস আলী বাদী হয়ে ২১ জনের নামে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে ডিমলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলাটির তদন্ত শেষে গত বছরের ২ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশিট প্রদান করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিমলা থানার উপ-পরিদর্শক মাসুদ মিয়া।
সোমবার ওই মামলায় নারী ভাইস চেয়ারম্যান আয়েশা সিদ্দিকাসহ আছিয়া বেগম, ফরিদা বেগম ও সাবিনা ইয়াছমিন আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মফিজ উদ্দিন শেখ মামলার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান আয়েশা সিদ্দীকা ওই মামলার আসামি। তবে আয়েশা সিদ্দিকা মহিলা জমায়েতের কোন পদে আছেন তা জানাতে পারেননি।’
