স্বামী রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় শুক্রবার ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেওয়ার পর কারাগারে নেওয়ার সময় কিছু বলতে গেলে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির মুখ চেপে ধরেন দুই পুলিশ সদস্য।
বরগুনা পুলিশ মিন্নিকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিলেও দুই দিনেই তা শেষ করে শুক্রবার বিকেলে বরগুনার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে নিয়ে যায়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বরগুনা থানার পরিদর্শক হুমায়ুন কবীর বলেন, পাঁচ দিনের জন্য হেফাজতে নেওয়া হলেও মিন্নির কাছে আমাদের যা জানার ছিল তা জানা হয়ে গেছে। তাই শুক্রবারই তাকে আদালতে পাঠানো হয়। তিনি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালতে তিনি কী বলেছেন সে সম্পর্কে আমি কিছু জানি না।
এরপর সন্ধ্যা ৬টার দিকে মিন্নিকে যখন আদালত থেকে বের করা হচ্ছিলেন, তখন তাকে পুলিশের দুজন নারী সদস্য ধরে ছিলেন। ছোট পিকআপে তোলার সময় মিন্নি কিছু একটা বলার জন্য উদ্ধত হয়েছিলেন। কিন্তু পাশে থাকা নারী পুলিশ সদস্য এ সময় মিন্নির মুখ চেপে ধরেন।
এর আগে মঙ্গলবার মিন্নিকে প্রায় ১৩ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ এই মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার দেখায়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির মিন্নিকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে প্রকাশ্যে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর দিন রিফাত শরীফের বাবা আবদুল হালিম শরীফ বরগুনা থানায় ১২ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। এ ছাড়া সন্দেহভাজন অজ্ঞাতনামা আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়।
