চুয়াডাঙ্গায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম

আপডেট : ২০ জুলাই ২০১৯, ১২:৪৫ এএম

চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা শোয়েব রিগানকে উপর্যুপরি কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের জিনতলা মল্লিকপাড়া এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। রাতেই মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে।

এ হামলার ঘটনায় রাতেই জেলা ছাত্রলীগ, কৃষক লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের ১৩ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ ২৩ জনের নামে হত্যা প্রচেষ্টা মামলা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে মামলাটি করেন শোয়েব রিগানের বাবা আবুল আযম। পুলিশ রাতভর অভিযান চালিয়ে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। রাতেই হাসপাতালে শোয়েবের জবানবন্দি গ্রহণ করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সিব্বির আহমেদ।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শহরের মাঝের পাড়ার আজম আলীর ছেলে শোয়েব রাতে মোটরসাইকেলে করে ওই এলাকা দিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় রাহেলা খাতুন গার্লস একাডেমির পেছনে পৌঁছালে ৫-৬ জন দুর্বৃত্ত তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তারা শোয়েবকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।

সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মশিউর রহমান বলেন, ‘ধারালো চাপাতি দিয়ে উপর্যুপরি কোপানোর ফলে শোয়েবের দুই পা ও বাঁ হাতসহ শরীরের অন্তত ৪০টি স্থান ক্ষতবিক্ষত হয়েছে; বিশেষ করে দুই পা ও বাঁ হাতে অসংখ্য কোপ দেওয়া হয়েছে। প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ কারণে আমরা চুয়াডাঙ্গা থেকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছি।’

শোয়েবের ওপর হামলার খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. কলিমুল্লাহ, সদর থানার ওসি আবু জিহাদসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতারা হাসপাতালে ছুটে যান।

মো. কলিমুল্লাহ জানান, কারা এ হামলার সঙ্গে জড়িত তাদের খুুঁজে বের করে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি শাহাবুল হোসেন জানান, শোয়েব কলেজ ছাত্রলীগের নেতা হলেও  জেলা ছাত্রলীগের প্রস্তাবিত কমিটির সহসভাপতি হিসেবে মনোনীত ছিলেন। এ ন্যক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত