জেলার সোনাগাজীর ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় বাদীসহ ৫১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার এক শিক্ষকসহ আরও চারজনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়।
জেলা জজ আদালতের সরকারপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) হাফেজ আহাম্মদ বলেন, সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক সেলিমুর
রেজা, আবুল কাশেম, এমদাদ হোসেন পিংকেল ও স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান আদালতে সাক্ষ্য দেন। তিনি আরও বলেন, আগামী রবিবার আরও সাতজনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরার দিন ধার্য করা হয়েছে। ওই দিন মোশারেফ হোসেন, গোলাম মাওলা, মনির হোসেন, ফেনী জেল সুপার রফিকুল কাদের, কারারক্ষী মো. শাহনেওয়াজ, মো. রিপন ও ছবি রঞ্জন ত্রিপুরার আদালতে সাক্ষ্য প্রদানের কথা রয়েছে।
চলতি বছরের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাতকে যৌন নিপীড়নের ঘটনায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ৬ এপ্রিল ওই মাদ্রাসা কেন্দ্রের সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগীরা নুসরাতের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। টানা পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে মৃত্যু হয় নুসরাতের। এ ঘটনায় তার বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বাদী হয়ে সিরাজসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী মডেল থানায় একটি মামলা করেন। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) অধ্যক্ষ সিরাজসহ ১৬ জনের সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
