রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির সংগীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে গতকাল শুক্রবার বিকেল ৫টায় বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী আয়োজন করেছিল রবীন্দ্র-নজরুল-সুকান্ত জয়ন্তী অনুষ্ঠান। এতে গান-কবিতা-নৃত্য এবং আলোচনায় বাংলা সাহিত্যের তিন কিংবদন্তিকে স্মরণ করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই ‘মন মোর মেঘের সঙ্গী’ গানটির সঙ্গে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করেন উদীচী গুলশান শাখার নৃত্যশিল্পীরা। এরপর নিবাস দে’র সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নিরঞ্জন অধিকারী এবং দীপ্তি রানী দত্ত। সঞ্চালনা করেন মিতা রায়।
অধ্যাপক নিরঞ্জন অধিকারী বলেন, ‘সুকান্তের মৃত্যুর কয়েক দশক পেরিয়ে গেলেও তার কাক্সিক্ষত শোষণহীন, সাম্যবাদী সমাজ এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি।’ কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে আলোচনায় অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, ‘নজরুল প্রথম শিল্পী যিনি রাজনীতিকে শিল্পে রূপান্তরিত করেছেন।’ অনুষ্ঠানে চিত্রশিল্পী হিসেবে রবীন্দ্রনাথের অনন্য প্রতিভার নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন অধ্যাপক দীপ্তি রানী দত্ত। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয়ার্ধে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেন উদীচী ঢাকা মহানগর সংসদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, মিরপুর, গে-ারিয়া, কাফরুল, উত্তরা, সাভার, তুরাগ, গুলশান, বাড্ডা, কল্যাণপুর ও তেজগাঁও শাখা সংসদের শিল্পীরা।
রবিরাগের ‘বর্ষামঙ্গল’ অনুষ্ঠিত : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বর্ষার গান নিয়ে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শিশু একাডেমি মিলনায়তনে রবিরাগ আয়োজন করে ‘বর্ষামঙ্গল’ অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানটি সাজানো হয় একক, দ্বৈত ও সমবেত গান দিয়ে। পাশাপাশি শামীম আরা নীপার পরিচালনায় নৃত্যাঞ্চলের শিল্পীরা পরিবেশন করেন নাচ। অনুষ্ঠান শুরু হয় ‘বিশ্ববীণারবে বিশ্বজন মোহিছে’ শীর্ষক সমবেত গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে। এরপর একক গান পরিবেশন করেন আমিনা আহমেদ, সাদী মহম্মদ, সন্ধ্যা ভট্টাচার্য, শামা আলী, গোলাম হায়দার প্রমুখ।
