গাংনী উপজেলার পোড়াপাড়া গ্রাম থেকে দাউদ হোসেন ও তার স্ত্রী সাহিদা খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দম্পতির এমন মৃত্যু নিয়ে এলাকাবাসী ও পুলিশ রয়েছে অন্ধকারে। গত শনিবার সন্ধ্যায় তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।
মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আশা এনজিও থেকে ঋণের টাকা শোধ করতে না পারা এবং সেটা নিয়ে চাপে থাকার কারণে মৃত্যুকে বেছে নিয়েছে এই দম্পতিÑ এমন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
গাংনী থানার ওসি ওবাইদুর রহমান জানান, শনিবার সন্ধ্যার আগে বৃষ্টির সময় স্থানীয় লোকজন দাউদ হোসেনের বাড়ির পেছনে একটি ডুমুরগাছে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় স্ত্রী সাহিদা খাতুনের এবং বাড়িতে দাউদকে মৃত অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়।
প্রতিবেশী জোৎস্না আফরোজ জানান, মরদেহের নমুনা দেখে মনে হয়েছে প্রথমে স্ত্রীকে হত্যার পর দাউদ আত্মহত্যা করেন। প্রতিবেশী সোলাইমান সাকলাইন জানান, একটি এনজিওর ঋণের টাকা শোধে ব্যর্থতার কারণেই এ দম্পতির মৃত্যু হতে পারে।
