ডলারের বিপরীতে চীনের মুদ্রার মান এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে নিচে নামিয়ে আনার পর ওয়াশিংটন পেইচিংয়ের বিরুদ্ধে মুদ্রা নিয়ে কারসাজি করার অভিযোগ এনেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় গত সোমবার চীনকে ‘মুদ্রা বাজিকর’ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে বলে জানিয়েছে এএফপি।
১৯৯৪ সালে সর্বশেষ যুক্তরাষ্ট্র চীনের বিরুদ্ধে মুদ্রা নিয়ে কারসাজির অভিযোগ করেছিল।
ওয়াশিংটন বলছে, চীনের কারসাজির কারণে ডলার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; অন্যদিকে সোনার দাম বেড়ে ছয় বছরের মধ্যে সবচেয়ে উঁচু স্থানে পৌঁছেছে। চীনকে ‘কারেন্সি ম্যানিপুলেটর’ ঘোষণার মাধ্যমে অর্থমন্ত্রী স্টিভেন মুনচিন মুদ্রা নিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম দুই অর্থনীতির দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করলেন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে কার্যালয়ে বসার প্রথম দিনই ডোনাল্ড ট্রাম্প এ আলোচনা শুরুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
মুনচিন বলেন, ‘সাম্প্রতিক পদক্ষেপের মাধ্যমে চীন প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে যে অন্যায্য সুযোগ নেওয়ার পথ সৃষ্টি করল, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সঙ্গে মিলে মুনচিন তা দূর করতে কাজ করবেন।’ এ প্রসঙ্গ নিয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
