ঈদ বিনোদনে প্রস্তুত সোনারগাঁ জাদুঘর, বাংলার ‘তাজমহল’

আপডেট : ১০ আগস্ট ২০১৯, ১০:৫৫ পিএম

কাল (সোমবার) পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদে পরিবার-পরিজন নিয়ে বিনোদন কেন্দ্রে ঘুরতে না গেলে ঈদের আনন্দটাই যেন মাটি। রাজধানী ঢাকার অদূরে ঐতিহাসিক সোনারগাঁয়ের পর্যটন স্পটগুলো এখন বিনোদনপ্রেমীদের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। ঈদকে সামনে রেখে সোনারগাঁয়ের সরকারি-বেসরকারি প্রতিটি পর্যটন স্পট সাজানোর কাজ প্রায় শেষ।

বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন (সোনারগাঁ জাদুঘর) কর্র্তৃপক্ষ তাদের ফাউন্ডেশন চত্বরে আগত দর্শনার্থীদের ভিড় সামলাতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছেন। প্রতিবছরের মতো এবারও ঈদের ছুটির দিনগুলোতে নিরাপত্তা বাহিনীর বাড়তি ফোর্স ফাউন্ডেশন এলাকায় নিয়োজিত রাখা হবে। ঈদের পরদিন সকাল থেকেই দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে কারুশিল্প ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশনের অভ্যন্তরে আগত দর্শনার্থীরা কারুশিল্প জাদুঘরের চমৎকার গ্যালারি পরিদর্শনের পাশাপাশি উপভোগ করতে পারবেন মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলি। রয়েছে প্রাকৃতিক লেকে নৌকা ভ্রমণ, নাগরদোলায় চড়া ও বায়স্কোপ দেখার ব্যবস্থা। পাশাপাশি ফাউন্ডেশনের ভেতরে অবস্থিত কারুপল্লী থেকে কেনার সুযোগ রয়েছে বাহারি সব কারুপণ্য।

বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক রবিউল ইসলাম জানান, ঈদের ছুটিতে প্রতিদিন গড়ে সোনারগাঁ জাদুঘরে ২৫-৩০ হাজার লোক বেড়াতে আসেন। এ বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থীর নিরাপত্তার জন্য ইতোমধ্যে পুলিশ ও র‌্যাবকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে। তা ছাড়া ফাউন্ডেশনের নিজস্ব লোকজনও মাঠে থাকবেন। জনপ্রতি ৩০ টাকার বিনিময়ে দর্শনার্থীরা ফাউন্ডেশন চত্বরে প্রবেশ করতে পারবেন।

অপরদিকে, সোনারগাঁ জাদুঘরের পাশে ঐতিহাসিক পানাম নগরীও ঈদে বেড়াতে আসা দর্শনার্থীদের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কয়েকশ বছরের পুরনো এ নগরী দেখার জন্য দর্শনার্থীদের ১৫ টাকা প্রবেশ মূল্য দিতে হবে। সোনারগাঁ জাদুঘর ও পানাম নগরী দুটি স্পটই সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

পানাম নগরী তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ পণত্মনতত্ত্ব অধিদপ্তরের ভাণ্ডার রক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, প্রতিবছরের মতো এ বছরও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে আমরা বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছি।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত