পবিত্র ঈদুল আজহায় কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন- ঢাকা উত্তর ও ও ঢাকা দক্ষিণ।
এ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির জন্য দুই সিটি করপোরেশন মোট ৬ লাখ ৮০ হাজার লিফলেট বিতরণ ছাড়াও রেডিও, টিভি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছে।
প্রতিটি ওয়ার্ডে মাইকিং, মসজিদের ইমামদের মাধ্যমে নামাজের পরে ও জুমার নামাজের খুতবার সময় কোরবানির পশু জবাই ও বর্জ্য অপসারণ বিষয়ে মুসল্লিদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।
পশু হতে উৎপন্ন বর্জ্য অপসারণ এবং কোরবানির পশুর হাট সার্বক্ষণিক পরিষ্কার করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ কাজে ঢাকা উত্তর সিটি নিজস্ব ও স্থায়ী-অস্থায়ী মিলিয়ে মোট ৪ হাজার ৯৩৫ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োজিত করেছে।
এছাড়া বাসা-বাড়ি থেকে ভ্যান সার্ভিসের মাধ্যমে বর্জ্য সংগ্রহ করার জন্য পিডব্লিউসিএসপির প্রায় ৪ হাজার ৫০০ জন শ্রমিক নিয়োজিত থাকবে।
অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নিজস্ব ৫ হাজার ২৪১ জন ছাড়াও ৪ হাজার ২৫২ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োজিত করা হয়েছে। বাসাবাড়ি থেকে ৬০০ টি ভ্যানের সাহায্যে বর্জ্য সংগ্রহ করা হবে।
দুই সিটি করপোরেশন বর্জ্য অপসারণের জন্য মোট ৭ লাখ ৫৫ হাজার ব্যাগ সরবরাহ করবে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ স্যাভলন, ফিনাইল ও অন্যান্য সামগ্রী।
ঈদের দিন হতে জবাইকৃত কোরবানির পশুর বর্জ্য তাৎক্ষণিকভাবে অপসারণ এবং কোরবানির পশুর হাটসমূহ দ্রুত পরিষ্কারের লক্ষ্যে দুই সিটি করপোরেশন নিজস্ব বর্জ্যবাহী ট্রাক, ভারী যন্ত্রপাতি, ওয়াটার বাউজারের পাশাপাশি আউটসোর্সিং হতে অতিরিক্ত গাড়ি ব্যবহার করবে।
এছাড়া যত্রতত্র চামড়া কেনা-বেচা বন্ধ করার লক্ষ্যে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত রাখা হবে। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম তদারকি ও ত্বরিত অপসারণ কাজের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ওয়ার্ড ভিত্তিক দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
