বন্দরনগরী এখনো ফাঁকা

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০১৯, ১২:৩৬ এএম

ঈদুল আজহার পর তিন দিন পেরোলেও এখনো ফেরেনি চট্টগ্রাম মহানগরী ছেড়ে যাওয়া অধিকাংশ মানুষ। সড়কগুলোতে নেই নিত্য পরিচিত যান চলাচল ও জটের দৃশ্য। বন্ধ রয়েছে অধিকাংশ দোকানপাট। ফলে এখনো ফাঁকা পুরো নগরী। ঈদের ছুটি শেষে গত বুধবার থেকে খুলেছে অফিস-আদালত। এরপর জাতীয় শোক দিবস ও শুক্র-শনি সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় অনেকেই টানা ছুটি কাটাচ্ছে।

বুধবার অফিস খুললেও দেখা যায়নি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বাভাবিক উপস্থিতি। সরকারি-বেসরকারি কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখা গেছে অধিকাংশ চেয়ার-টেবিল খালি। অফিসে যারা উপস্থিত হয়েছেন তারাও বেশির ভাগ সময় কাটিয়েছেন ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় ও গল্প-গুজবের মধ্যে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে নগরীর আইস ফ্যাক্টরি রোডে প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে (পিটিআই) গিয়ে দেখা যায়, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান করছেন। পিটিআইর সুপার কামরুন নাহার দেশ রূপান্তরকে বলেন, অন্য সময় প্রশিক্ষণার্থীদের পদচারণে পিটিআই মুখর থাকলেও এবার সবাই ঈদের ছুটিতে রয়েছে। বন্ধ রয়েছে পিটিআই স্কুলও। তাই ঈদের ছুটি শেষেও এখনো জমেনি পরিবেশ। দুপুর ১২টায় নগরীর টাইগারপাস মোড়ে স্বাভাবিক সময়ে গাড়ি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খেতে হয় দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশকে। গতকাল দুপুরে দেখা যায়, ওই মোড় দিয়ে অল্পসংখ্যক গাড়ি চলাচল করছে। নগরীর হাটবাজারগুলোও প্রায় বন্ধ বলা চলে। দুপুরে কাজির দেউড়ি বাজারে গিয়ে দেখা যায়, বেশির ভাগ দোকানই বন্ধ।

তবে জমজমাট নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বিনোদন স্পটগুলো। পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত, ফয়’স লেক কনকর্ড এমিউজমেন্ট পার্ক, চিড়িয়াখানা, বহদ্দারহাট স্বাধীনতা পার্ক, চট্টগ্রাম শিশুপার্ক, জাম্বুরি মাঠ শিশুপার্কসহ বিভিন্ন স্থানে দেখা গেছে বিনোদনপিপাসু বিভিন্ন বয়সী মানুষের ভিড়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত