নিজস্ব প্রায়োগিক ক্ষমতার অভাবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। একে পুনর্গঠন করে উচ্চ শিক্ষা কমিশন (এইচইসি) করতে হলে নির্বাহী ক্ষমতা দেওয়া প্রয়োজন। গতকাল বুধবার ইউজিসির সঙ্গে এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশের (ইরাব) নব নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির মতবিনিময় সভায় বক্তারা এমন মতপ্রকাশ করেন।
সভায় দেশের উচ্চশিক্ষার উন্নয়নে ইউজিসির সঙ্গে ইরাব যৌথভাবে কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। এছাড়া উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নানা অনিয়ম বন্ধে ইউজিসির ভূমিকা নিয়েও আলোচনা হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, নিজস্ব ক্ষমতার সীমাবদ্ধতায় ইউজিসি অনেকটা অসহায়। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজস্ব আইনে পরিচালিত হয়। পাশাপাশি তদারকি করে ইউজিসি। অন্যদিকে পৃথক আইনে পরিচালিত হয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। উচ্চশিক্ষার এসব প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট আইন বাস্তবায়ন এবং নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রাখাসহ সর্বোপরি দুর্নীতি বন্ধের জন্য গঠিত হলেও অভিভাবক হিসেবে ইউজিসি নিজস্ব প্রায়োগিক ক্ষমতার অভাবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। এজন্য ‘বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন’ পুনর্গঠন করে ‘উচ্চ শিক্ষা কমিশন’ নামে নতুন প্রতিষ্ঠান করার প্রক্রিয়া চলছে। এটা যে নামেই হোক না কেন কমিশনের নির্বাহী ক্ষমতা থাকা উচিত। কারণ পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগগুলো ইউজিসি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করেই গুরু দায়িত্ব শেষ করে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তারা সুপারিশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে। কিন্তু কমিশনের এসব সুপারিশ নিয়ে সভা-সম্মেলনের মাধ্যমেই বছরের পর বছর পেরিয়ে যায় মন্ত্রণালয়ে।
